Headlines

Kali Puja 2026: শান্তিপুরের ট্র্যাডিশন এবার শিলিগুড়িতে! কাঁধে চড়ে বামাকালীর নাচ, মশাল মিছিলে জনজোয়ার, ভাইরাল ভিডিও | Kali Puja 2026 Santipur Legacy In Siliguri Historic Bama Kali Dance Spectacle Captivates Thousands | শিলিগুড়ি খবর


Last Updated:

Kali Puja 2026: শান্তিপুরের ট্র্যাডিশন এবার শিলিগুড়িতে! ৬৩তম বর্ষে তরুণ অ্যাথলেটিক ক্লাবের মশাল শোভাযাত্রা ও ৪৩ ফুটের বামাকালীর নাচ দেখতে উপচে পড়ল হাজার হাজার মানুষের ভিড়। ভাইরাল ভিডিও।

+

শিলিগুড়ির

শিলিগুড়ির ব্যস্ত শহর কেন্দ্র ভেনাস মোড়ে নদিয়ার শান্তিপুরের আদলে ৪৩ ফুট উঁচু মা বামাকালীর প্রতিমা কাঁধে তুলে ভক্তদের মশালের আলোয় ঐতিহ্যবাহী নাচের শোভাযাত্রা

শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: শুক্রবার রাতের শিলিগুড়ি। ঘড়ির কাঁটায় তখন প্রায় ১০টা। শহরের অন্যতম ব্যস্ত ভেনাস মোড় অর্থাৎ সফদর হাশমি চকে আচমকাই তৈরি হল এক অন্যরকম পরিবেশ। চারদিকে মশালের আলো, ঢাকের বাদ্যি আর মানুষের উচ্ছ্বাস। আর সেই আবহের মধ্যেই ভক্তদের কাঁধে চেপে নেচে উঠলেন মা বামাকালী। নদিয়ার শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী বামাকালীর নাচের এমন দৃশ্য দেখতে মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়।

শিলিগুড়ির সুভাষপল্লীর তরুণ অ্যাথলেটিক ক্লাবের উদ্যোগেই এই বিশেষ আয়োজন। দ্বিতীয়বারের জন্য শান্তিপুরের ঐতিহ্যকে শহরের বুকে তুলে ধরলেন ক্লাবের উদ্যোক্তারা। শুক্রবার রাতে কুমোরটুলি থেকে মশাল শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রতিমাকে নিয়ে আসা হয় মণ্ডপের উদ্দেশ্যে। প্রায় ২০০ জন উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে সেই শোভাযাত্রা হয়ে ওঠে নজরকাড়া। তবে এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল বামাকালীর নাচ। রাত ১০টা নাগাদ মিছিল সফদর হাশমি চকে পৌঁছতেই শুরু হয় সেই বিশেষ পরিবেশনা। ঢাকের তালে তালে ভক্তরা কাঁধে তুলে নেন মায়ের প্রতিমা। এরপর শুরু হয় শান্তিপুরের ধাঁচে বামাকালীর নাচ। মশালের আগুনের আলোয় প্রতিমার এই রূপ দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শনার্থীরা।

আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ঝোড়ো লড়াই, জাতীয় প্রতিযোগিতায় পদক জয়! মালদার মেয়ে সুস্মিতার সাফল্যে খুশির হাওয়া

এবার ৬৩তম বর্ষে পদার্পণ করছে তরুণ অ্যাথলেটিক ক্লাবের শ্যামাপুজো। প্রায় ৪৩ ফুট উঁচু বামাকালীর প্রতিমা এবারের পুজোর অন্যতম আকর্ষণ। তবে পুজোর মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় জমার আগেই শহরের রাজপথে বামাকালীর এই নাচ ঘিরে তৈরি হয়েছে উন্মাদনা। শান্তিপুরের ঐতিহ্যকে শিলিগুড়ির মানুষের সামনে তুলে ধরার এই উদ্যোগ যেন প্রমাণ করল, উৎসবের আনন্দ আর ঐতিহ্যের টান কোনও ভৌগোলিক সীমানা মানে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *