Last Updated:
দুর্গাপুজোয় তাঁকে দেখা গিয়েছিল বর্ধমান শহরে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে যান বাহন সামাল দিতে।
আসুক শিল্প, আসুক বিনিয়োগ। আসুক সমৃদ্ধি। ভক্তিভরে মা লক্ষ্মীর আরাধনায় ব্রতী হলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। জনপ্রতিনিধির ব্যস্ততা ছিলই। তার মধ্যেও সময় বের করে মন দিলেন মা লক্ষ্মীর আরাধনায়। তাঁর বাড়িতে সরায় পুজো। সকাল থেকে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব সামলে লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকলেন রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র।
তিনি জানালেন, পুজোর সব কাজ নিজের হাতেই করেন। শ্বাশুড়ির কাছে শিখেছেন পূর্ববঙ্গ থেকে আসা মানুষের পুজোর রীতি। নাড়ু, মোয়া, ফলপ্রসাদ এবং মিষ্টি দিয়ে নৈবেদ্য সাজালেন মৌমিতা। সন্ধ্যায় পুজো। তখন তিনি মন্ত্রী নন, গৃহলক্ষ্মী। পরিবার সহ রাজ্যবাসীর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করলেন মায়ের কাছে।
বাংলায় শিল্প আর বাণিজ্যের সুদিন আবার ফিরে আসবে, আশাবাদী মন্ত্রী। তিনি জানান, এর মধ্যেই তিন হাজার কোটি বিনিয়োগ হয়েছে। আরও শিল্প বাণিজ্য আসছে। বাংলার যুবসমাজ আবার কাজ পাবে। মন্ত্রীর মতে, গত উনচল্লিশ বছর এ বিষয়ে অগ্রগতি থমকে গিয়েছিল। তাঁর মতে, একসময় চাঁদ সদাগরের বাংলা শিল্পবাণিজ্যে অগ্রণী ছিল। আবার সেই গর্বের দিন ফিরে আসছে।
এর আগে রাস্তায় হেলমেট না পরে মোটরসাইকেল চালালে ছোটদের শাসন করেছেন বড় দিদির মতো। নেশা করে গাড়ি চালাচ্ছেন এমন ব্যক্তিদের শাসনও করেছেন। আবার মঞ্চে উঠে গেয়েছেন ভক্তিগীতি। এবার প্রদীপ জ্বেলে শঙ্খ বাজিয়ে ব্রতী হলেন মা লক্ষ্মীর আরাধনায়।
রবিবার জেলার আর এক মন্ত্রী কলিতা মাজিকেও লক্ষ্মীর আরাধনায় ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। সকাল থেকেই নিজ হাতে সামলেছেন লক্ষ্মী পুজোর সব কাজ। আলপনা দেওয়া থেকে শুরু করে আলতা পরা- সব সামলালেন নিজ হাতে।

