Headlines

Nadia News : শান্তিপুরের বামা কালীর নাচ ও রাস উৎসব নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক! একাধিক নিয়ম মানতে হবে এবার, জেনে নিন | পশ্চিমবঙ্গের আজকের খবর


এই বিষয়ে পুলিশ সুপার জানান, দুর্গাপুজো যেভাবে অত্যন্ত সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে পার করা গিয়েছে, ঠিক তেমনই আগামী কালীপুজো ও রাস উৎসবও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা হবে। শান্তিপুরের বেজপাড়া মাঠে বিখ্যাত বামাকালী নাচ দেখতে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কালীপুজো দেখতে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।

গত বছরও প্রচুর লোক সমাগম হয়েছিল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড দেখে অনুমান করা হচ্ছে, এবছরও প্রচুর ভিড় হবে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে পুলিশ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কমিটি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

শোভাযাত্রার পর বেইজপাড়া মাঠেই বামাকালী নাচ আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর আরও বেশি মানুষ সুস্থভাবে আনন্দ উপভোগ করতে এবং মায়ের আশীর্বাদ নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। শান্তিপুরের মতো এলাকায় টাউনের রাস্তাঘাট যেমন থাকে, সেভাবেই যানজট নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভিড় সামলাতে একাধিক রাস্তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

কিছু রাস্তা জরুরি পরিষেবার জন্য এবং কিছু রাস্তা সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট (ডেমার্ক) করে দেওয়া হবে। প্রবেশপথে সামান্য চাপ থাকলেও তা দক্ষতার সঙ্গে ম্যানেজ করা হবে এবং পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এলাকার আশেপাশে আরও মাঠ রয়েছে, ফলে কোনো বড় সমস্যা হবে না।

বিধায়কের নির্দেশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে পুজো সম্পন্ন হবে। মুখ্যমন্ত্রী শান্তিপুরের রাসযাত্রাকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক দিক থেকে বিশেষ ভাবনাচিন্তার কথা জানিয়েছেন এবং একটি বিশেষ আলোচনা সভার কথাও বলেছেন। এই বিষয়ে প্রতিটি জেলায় একজন করে মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রানাঘাটের ক্ষেত্রে অনারেবল এমআইসি দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন এবং ডিএম অফিসে এ বিষয়ে মিটিং হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অন্যান্য প্রস্তুতি জেলা শাসকের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হবে এবং পুলিশ প্রশাসন সর্বতোভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন- Vande Bharat : বন্দে ভারতে কী কী খাবার দেয়? খাবারের মান কেমন? তুলে ধরলেন এক ভ্লগার, দেখে অনেকেই অবাক

এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী আসার সম্ভাবনা থাকলে প্রশাসনিক তৎপরতা ও গাইডলাইন অনুযায়ী অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফানুস ওড়ানো এবং লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়ে এসপি জানান, প্রতি বছরই এই নিয়ে সচেতনতা ও কঠোরভাবে নিয়ম বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়। গ্রিন ফায়ার ক্র্যাকার্স এবং ফানুস বিক্রি ও ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই এই বিষয়ে সবাইকে সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে, কারণ এই নিয়মগুলো সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।

বিধায়ক জানান, শান্তিপুরের প্রাচীন রাস উৎসব, কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো, চন্দননগর এবং সুত্রাগড়ের জগদ্ধাত্রী পুজো-সহ বিভিন্ন উৎসব ও সংস্কৃতির বিষয়গুলি সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আজকের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মন্ত্রীর উপস্থিতি এবং জেলা প্রশাসন (ডিএম, এসপি, এসডিপিও সহ অন্যান্য আধিকারিকদের) পরিদর্শনের ফলে এই ঐতিহ্যকে আরও উন্নত ও সুন্দরভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার একটি বড় পরীক্ষা চলছে।

বিধায়কের মতে, সমস্ত দফতর ও প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টায় আগামিদিনে শান্তিপুরের রাস উৎসব আরও অনেক বেশি সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং তার ফলস্বরূপ আসন্ন রাস উৎসব আরও জমজমাট ও সুশৃঙ্খল হবে বলে তিনি আশাবাদী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *