Last Updated:
Kali Puja: আদিগঙ্গার পাড়ে শত শত বছর ধরে বজায় রয়েছে এই কালীপুজোর প্রাচীন ও শিহরণ জাগানো ঐতিহ্য। প্রতিমার পিছনে ১০৮টি নরমুণ্ড, তন্ত্রমতে পুজো এবং তান্ত্রিক সাধকদের অলৌকিক কাহিনিতে ঘেরা এই শ্মশানপীঠে আজ কেবল রাজ্য বা দেশ নয়, দূর-দূরান্তের বিদেশ থেকেও ভক্তদের ঢল নামে।
মন্দিরবাজার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের কালীপুজো আজও বয়ে নিয়ে চলেছে প্রাচীন ঐতিহ্য। এখানে মায়ের পিছনে রয়েছে ১০৮ টি নরমুণ্ড। কালীপুজো ও তার প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের নাম। কালীপুজোর রাতে এখানে ধুমধাম করে পুজো হয়। এখনও এখানে ১০৮ টি নরমুণ্ড দিয়ে তন্ত্রমতে চলে মায়ের পুজো। আদিগঙ্গার পাড়ে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দির। এই শ্মশানে আগে ভিড় জমাতেন তান্ত্রিক ও সাধকরা। শবসাধনায় বসতেন অনেকেই স্থানীয়দের বিশ্বাস শব সাধনায় আজও রাতের অন্ধকারে জেগে ওঠে শ্মশান। ঘোরাফেরা করে মৃতদের আত্মা।
এই পুজোর সূচনা করেছিলেন সাধক মনিলাল চক্রবর্তী। বর্তমানে তাঁরই উত্তরসুরী সাধক শ্যামল চক্রবর্তী এই শ্মশানের দায়িত্ব সামলান। এখনও কালীপুজোর রাত্রে তন্ত্রমতে পুজো হয় এখানে। জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত এই শ্মশানে আজও প্রবেশ করলে গা ছমছম করে ওঠে সকলের।
এই শ্মশানে পূজিত হয়ে আসছেন মা করুণাময়ী কালী। শ্যামাকালী পুজোর দিন আজও এলাকার হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান এই মন্দিরে। একাধিক জনশ্রুতি রয়েছে এলাকায়। কালীপুজোর আগে সেবাইত ও চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তুমুল ব্যস্ততা রয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন মায়ের কাছে এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশ থেকেও ভক্তরা আসছেন। ফলে এই কালীপুজোয় আগের থেকে আরও বেশি পরিকাঠামো বাড়াতে হবে। এখন সেই কাজ চলছে।
