Last Updated:
Street Painting: হাওড়াকে সুন্দর করে তুলতে জেলা প্রশাসনের অভিনব উদ্যোগ! তরুণ শিল্পীদের তুলির টানে বঙ্কিম সেতুর কংক্রিটের পিলারে জীবন্ত হয়ে উঠছে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। সেতুর পিলারে নানা ছবি ফুটিয়ে তুলছেন আর্ট কলেজের তরুণ শিল্পীরা।
হাওড়া, রাকেশ মাইতি: হাওড়ায় ক্যানভাস হয়ে উঠছে বঙ্কিম সেতুর কংক্রিটের পিলার, তুলির টানে জীবন্ত বাংলার সংস্কৃতি। শহরের রূপ বদলাতে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর নিচের চার্চ রোডের কংক্রিটের পিলারগুলি এখন শুধুই ইট-পাথরের স্তম্ভ নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে তরুণ শিল্পীদের নিপুণ হাতের ক্যানভাস। এখানে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে বাংলার কৃষ্টি, কালচার এবং ঐতিহ্যকে।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আর্ট কলেজের ছাত্র-ছাত্রী অর্থাৎ এর তরুণ শিল্পীদের হাত ধরে সেজে উঠছে চার্চ রোডের পিলার গুলি। হাওড়া মানেই হাওড়া ব্রিজ, এই ক্যানভাসে ফুটে উঠছে, হাওড়া ব্রিজ,মা দুর্গার রূপ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, হাওড়া স্টেশন, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ট্রাম, চায়ের কাপ এবং বাংলার ঐতিহ্যের নানা ইলাস্ট্রেশন। বাঙালি সংস্কৃতির এই গল্পভিত্তিক পেইন্টিংগুলি দেখতে পথচলতি মানুষের মধ্যেও দারুণ উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
শিল্পী পল্লব কুমার কারক জানান, বঙ্কিম সেতুর প্রায় ১৪টি পিলারকে সুন্দর করে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হাওড়াকে আরও সুন্দর করে তোলার উদ্দেশ্যেই এই কাজ। হাওড়া প্রশাসনের তরফ থেকে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। অমিত কুমার গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশেই আমরা এই কাজ করছি। মূলত ইলাস্ট্রেশন স্টোরি বেসড পেন্টিং করার চেষ্টা করছি যাতে বাংলার ঐতিহ্য ফুটে ওঠে। দীপাবলির মধ্যেই এই কাজের পরিকল্পনা শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।
এই কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর পুরো এলাকা আকর্ষণীয় আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হবে বলে জানা গেছে। তবে এই সৌন্দর্যায়ন যাতে দীর্ঘস্থায়ী হয়, তার জন্য শহরবাসীর সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। শিল্পীদের পাশাপাশি মন্ত্রী থেকে জন প্রতিনিধিরা শহরবাসীকে ঐতিহ্যবাহী শহর হাওড়াকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বার্তা দিয়েছেন। সেই দিক থেকে এই শিল্পকর্মগুলোর মর্যাদা বজায় রাখার বিশেষ আবেদনও। নতুন সরকারের এমন উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি হাওড়াবাসী।
