Last Updated:
পরিবারের অমতে ৪০ বছরের প্রৌঢ়কে বিয়ে ২১ বছরের যুবতীর! থানায় অভিযোগের পরেই দুই পরিবারের সংঘর্ষ, মারধরে জখম একাধিক, হরিশ্চন্দ্রপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য
মালদা: পরিবারের অমতে ৪০ বছরের এক প্রৌঢ়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ে ২১ বছরের যুবতীর। অভিযোগ, ওই প্রৌঢ় আগে থেকেই বিবাহিত এবং তাঁর ছয় সন্তান রয়েছে। এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে যুবতীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। আর সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে। একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে দুই পক্ষই। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রাঙ্গাইপুর গ্রামের ফন্দিটোলা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২১ বছর বয়সী ফন্দিটোলা এলাকার বাসিন্দা রুবিনা খাতুন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন একই এলাকার ৪০ বছর বয়সী আশরাফুল হকের সঙ্গে। আশরাফুল আগে থেকেই বিবাহিত এবং তাঁর ছয় সন্তান রয়েছে বলে দাবি যুবতীর পরিবারের। পরবর্তীতে পরিবারের অমতেই আশরাফুলকে বিয়ে করেন রুবিনা। এই বিয়ে নিয়ে আপত্তি জানিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে যুবতীর পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রুবিনাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

২১ -র তরুণী বিয়ে করল ৪০-র মাঝবয়সীকে – দুই পরিবারে বড় ঝামেলা
তবে তিনি সাবালিকা এবং নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন বলে জানানোয় তাঁকে পুনরায় শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই নতুন করে বিবাদের সূত্রপাত। যুবতীর বাবা আফজাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “থানায় অভিযোগ দায়ের করার আক্রোশে আশরাফুল ও তাঁর পরিবারের লোকজন বাড়িতে চড়াও হন। পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়েছে। বাড়ির দুইজন আহত হয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”
অন্যদিকে, আশরাফুলের পরিবারের সদস্যদের পাল্টা অভিযোগ, যুবতীর পরিবারের লোকজনই তাঁদের মারধর করেছেন। আশরাফুলের বাড়ির সদস্য তাসরুন বিবি বলেন, “আমার মামাশ্বশুর তাদের মেয়েকে বিয়ে করেছে। এখন তারা কোথায় আছে আমরা জানিনা। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল, সমস্যা মিটে গিয়েছে। এখন তারা আবার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে।,”
এই ঘটনায় দুই পক্ষের তরফেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুই পরিবারের এই বিবাদকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঠিক কী কারণে সংঘর্ষের সূত্রপাত এবং কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
জিএম মোমিন
