Headlines

Bardhaman News : চোখের সামনেই ছিল ভীমরুলের চাক, কাছে যেতেই ভয়ঙ্কর ঘটনা, বর্ধমানে বৃদ্ধার মর্মান্তিক পরিণতি | পশ্চিমবঙ্গের আজকের খবর


Last Updated:

পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরে ভীমরুলের হামলায় ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ভীমরুলের চাকের কাছে যেতেই তিনি আক্রান্ত হন।

বর্ধমানের বৃদ্ধার মর্মান্তিক পরিণতি।
বর্ধমানের বৃদ্ধার মর্মান্তিক পরিণতি।

বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী : বাড়ির পাশের একটি জায়গায় থাকা ভীমরুলের চাকের কাছে যেতেই বিপত্তি। আচমকা ঝাঁকে ঝাঁকে ভীমরুলের হামলায় গুরুতর জখম হলেন ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধা।

হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বাড়ি ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হল তাঁর। মৃতার নাম শচীরাণী শর্মা। তিনি বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের শালবাগান এলাকার বাসিন্দা। তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে ভীমরুলের কামড়ে আহত হয়েছেন প্রতিবেশী পশু চিকিৎসক পার্থ সরকারও।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি বহুতলের নীচে থাকা গলির দিকে চলে যান শচীরাণী। ওই এলাকায় মাটির ঢিবির মতো দেখতে জায়গায় ভীমরুলের চাক ছিল বলে পরিবারের দাবি।

অসাবধানতাবশত সেখানে হাত-পা দেওয়ার পরই ভীমরুলগুলি বেরিয়ে এসে তাঁকে আক্রমণ করে। পরিবারের সদস্য বিশ্বজিৎ শর্মার দাবি, বৃদ্ধার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য ভীমরুল কামড় বসায়। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে গেলেও তাঁকে উদ্ধার করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

বৃদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন প্রতিবেশী পার্থ সরকার। তাঁর দাবি, ওই সময় প্রায় ৬০-৭০টি ভীমরুল বৃদ্ধার শরীরের আশপাশে ঘুরছিল। একটি ছেঁড়া গামছা দিয়ে তাঁকে সরানোর চেষ্টা করতে গেলে পার্থের শরীরেও একাধিক ভীমরুল হুল ফোটায়। মুখ, হাত, পা এবং পিঠ-সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কামড় খেয়ে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হয়।অন্যদিকে শচীরাণী শর্মাকে দ্রুত বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিবারের দাবি, সেখানে চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। শারীরিক অবস্থার কিছুটা স্থিতিশীলতা আসার পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর সন্ধ্যার দিকে আচমকাই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।মৃতার নাতি বিশ্বজিৎ শর্মার দাবি, প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন তাঁর ঠাকুমা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *