Last Updated:
Body Recovered: পুজোর আগে বোনকে কেনাকাটার টাকা দিতে এসে ভয়হ্কর দৃশ্যের মুখোমুখি দাদা! নাদনঘাটে বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার গৃহবধূর রক্তাক্ত দেহ। মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ও গলায় কালসিটে দাগ! খুনের অভিযোগ তুলে সরব পরিবার। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কালনা, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পুজোর কেনাকাটার জন্য বোনকে টাকা দিতে এসেছিলেন দাদা। ভেবেছিলেন, হাতে কিছু টাকা তুলে দিয়ে বোনের সঙ্গে দু’দণ্ড কথা বলে ফিরে যাবেন। কিন্তু বাড়ির দরজা খুলতেই সামনে এল ভয়াবহ দৃশ্য। বারান্দায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বোন পাপিয়া মণ্ডল। মাথায় আঘাতের চিহ্ন, গলায় কালসিটে দাগ। কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে এমন দৃশ্য দেখবেন, তা ভাবতেও পারেননি দাদা অসীম কুমার মণ্ডল।
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক পাপিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। রবিবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার বাঘাডাঙা এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার দাদা অসীম কুমার মণ্ডল বলেন, “আমরা চাই দোষীর শাস্তি হোক, ফাঁসির সাজা হয়, আমার বোনকে মার্ডার করা হয়েছে।” পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৭ বছরের পাপিয়া শাড়িতে মার দেওয়ার কাজ করতেন।
এরপর তাঁকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, মাথায় আঘাত করার পাশাপাশি গলায় কিছু পেঁচিয়ে পাপিয়াকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকেই পাপিয়ার স্বামীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও পরিবারের দাবি। ইতিমধ্যে নাদনঘাট থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার মৃতদেহ বর্ধমানে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
