Last Updated:
CM Suvendu Adhikari: মাধবডিহির বীরপুর গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জয় বেজের স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায়।
পূর্ব বর্ধমান: ‘এই মৃত্যুর কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না।’ চোরবাগান বিপর্যয়ে স্ত্রী ও ছেলেকে হারানো পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহির বেজ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মাধবডিহির বীরপুর গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জয় বেজের স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায়। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, নবমীর দিন বেলা ১২টা নাগাদ সঞ্জয় বেজের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এবং জেলার অন্যান্য বিধায়ক।
সঞ্জয় বেজের মাটির বাড়িতে ঢুকে দাওয়ায় চেয়ার টেনে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেই সময় সঞ্জয় বেজের হাতে একটি খাম তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “এই মৃত্যুর কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না। দুটো চেক আছে। অ্যাকাউন্টে রেখে দেবেন।”
চেক হাতে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী ও পুত্রহারা সঞ্জয়। তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের ১৯ বছরের মেয়ের কথা উল্লেখ করে তাঁকে শক্ত থাকার পরামর্শ দেন। বলেন, পরিবারের অন্য সদস্যদের কথা ভেবেও তাঁকে শক্ত হতে হবে। স্থানীয় বিধায়ক সুভাষ পাত্র নিয়মিত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার তাঁদের পাশে থাকবে।
সঞ্জয় বেজের মেয়ে আগমনীর সঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর মৃত সন্দীপ ও তাঁর মায়ের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর সঞ্জয় বেজ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমাদের মতো গরিবের বাড়িতে এসে পাশে দাঁড়ালেন। কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে আগে এভাবে শোকের দিনে পাশে দাঁড়াতে দেখিনি।” মুখ্যমন্ত্রী ৫০ লক্ষ টাকার চেক এবং এক মাসের মধ্যে চাকরির আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

