Last Updated:
Firecrackers Market: শব্দবাজি নয়, এবার চম্পাহাটি বাজি বাজারে দাপট সবুজ বাজির! কিউ-আর কোড ও সরকারি সার্টিফিকেট মেনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কেমন জমছে কেনাকাটা? জেনে নিন।
বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা বাজি তৈরির বড় হাব। এখানে বজবজ, মহেশতলা, বারুইপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় বাজি তৈরি হয়। কালীপুজো ও দীপাবলিতে যা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যায়। তবে বিভিন্ন সময় ঘটা দুর্ঘটনা ও পরিবর্তিত নিয়মকানুনের জন্য এখন সর্বত্র তৈরি হয় সবুজ বাজি।
এই সবুজ বাজি পরিবেশের জন্য ভাল। শব্দের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যদিও ক্রেতারা অনেকেই এসে শব্দবাজি চাইছেন। তাঁদের গুরুত্ব সহকারে সবুজ বাজির ভাল দিক বুঝিয়ে সেই বাজি দিচ্ছেন বিক্রেতারা এমন কথা জানিয়েছেন অনিতা দাস নামের এক দোকানি।
বর্তমানে বারুইপুর চম্পাহাটি হাড়াল বাজি বাজারে বাজি প্রেমীদের উপচে পড়ছে ভিড়। প্রতি বছরের মতো এবারও আলোর উৎসবে মেতে উঠতে সাধারণ মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে বাজি কিনতে ছুটে আসছেন চম্পাহাটি হাড়াল বাজি বাজারে। তবে এবারে বাজির বাজারে ছবিটা কিছুটা ভিন্ন। প্রশাসন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নির্দেশিকা মেনে বাজারে মূলত সবুজ বা পরিবেশবান্ধব আতশবাজির দাপট দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাঁরা প্রশাসনের নির্ধারিত অনুমোদিত ডেসিবেলের নীচে বাজি বিক্রি করছেন। সব বাজিতেই সরকারের সবুজ বাজি বা গ্রিন ক্র্যাকার্সের কিউ-আর কোড ও সার্টিফিকেট রয়েছে।
পরিবেশ ও মানুষের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে ব্যবসা করতে হচ্ছে তাঁদের, এই কথা জানিয়েছেন বাজি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মিঠুন মিত্র। শব্দ এবং আলোর রোশনাইয়ের সঠিক ভারসাম্য রেখে কেনাকাটায় মেতেছে সাধারণ মানুষ। প্রশাসনিক তদারকি ও ব্যবসায়ীদের সচেতনতার ফলে এই বছর সুষ্ঠভাবেই বাজি তৈরি ও বিক্রি চলছে।
