Headlines

Ganga Sagar: দ্রুত বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তর ও ক্ষয়, অস্তিত্বের সংকটে কপিলমুনির আশ্রম! রাজ্যকে জরুরি নির্দেশ জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনালের | NGT issues strict 6-month deadline to West Bengal government to implement NCSCM and ICZM measures for protecting Sagar Island | দক্ষিণ ২৪ পরগনা


Last Updated:

Ganga Sagar: ক্রমশ বাড়ছে জলস্তর, সমুদ্রের গ্রাসে যাওয়ার মুখে সাগর দ্বীপ ও কপিলমুনির আশ্রম! ভাঙন রুখতে ও ম্যানগ্রোভ রোপণে রাজ্যকে ৬ মাসের কড়া সময়সীমা দিল জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। ভাঙনপ্রবণ জোনে দ্রুত ম্যানগ্রোভের সবুজ প্রাচীর গড়ে তোলার নির্দেশ।

গঙ্গাসাগর কপিলমুনির আশ্রম রক্ষায় জরুরি নির্দেশ রাজ্যকে
গঙ্গাসাগর কপিলমুনির আশ্রম রক্ষায় জরুরি নির্দেশ রাজ্যকে

গঙ্গাসাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: ক্রমশ বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তর। বাড়ছে উপকূল ভাঙনের আশঙ্কাও। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভবিষ্যতে অস্তিত্বের সংকটে পড়তে পারে সাগর দ্বীপ। এমনকি বিপন্ন হতে পারে গঙ্গাসাগরের অন্যতম প্রধান তীর্থক্ষেত্র কপিলমুনির আশ্রমও।

এই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে সাগর দ্বীপ ও কপিলমুনির আশ্রমের সুরক্ষায় রাজ্য সরকারকে একাধিক জরুরি পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি)। জানানো হয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সাসটেনেবল কোস্টাল ম্যানেজমেন্ট (এনসিএসসিএম) এবং ইন্টিগ্রেটেড কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট (আইসিজেডএম)-এর তরফে সাগর দ্বীপ রক্ষায় যে সুপারিশ করা হয়েছে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

এনসিএসসিএমের অন্তর্বর্তী রিপোর্টে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্বল্প সময়ের মধ্যেই সাগর দ্বীপের প্রায় ৪৪.৫৫ শতাংশ সমুদ্রতীরবর্তী এলাকা ক্ষয়ের শিকার হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি হিসাবেও উপকূল ক্ষয়ের পরিমাণ প্রায় ৫৪.৬৭ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পরই দ্বীপের উপকূল রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: উর্দিধারীদের নয়া রূপ দেখে ভয়, ভীত সব উধাও! নিরাপত্তার ছক কষার ফাঁকেই মঞ্চ মাতালেন পুলিশকর্মীরা

এনজিটির নির্দেশে উপকূলীয় এলাকায় পলি ও মাটি ক্ষয় রুখতে ব্যাপক হারে ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কপিলমুনির আশ্রম সংলগ্ন এলাকায় প্লাস্টিক-সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক বর্জ্য যাতে কোনওভাবেই সমুদ্রে মিশতে না পারে, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। উপকূলের পরিবেশ ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে আইসিজেডএম পরিকল্পনাও কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই সমস্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটিকে। শুধু নির্দেশ কার্যকর করলেই হবে না, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্টও এনজিটির কাছে জমা দিতে হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *