Headlines

Housewife returns to maternal home during Kali Puja and makes mundomala of idol ৬৯ বছর বয়সী প্রবীণ কারিগর কাশীনাথ কংসবণিক। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবার নিষ্ঠার সঙ্গে বাঁচিয়ে রেখেছেন পৈতৃক এই কাজ। দুর্গোৎসবের পর থেকে কালীপুজো পর্যন্ত কাজের চাপ তুঙ্গে ওঠে। শান্তিপুরের বিখ্যাত আগমেশ্বরী, বোম্বাটে কালী, খুরখুরি কালী, মহিষখাগী কিংবা মাধব কালীর মতো বহু প্রাচীন বিগ্রহের খাঁড়া, চাঁদমালা, মুণ্ডমালা, ত্রিশূল, ডুগডুগি ও শিং পালিশ এবং সাজসজ্জার জন্য নিয়ে আসা হয় তাঁদের কাছে। ইতিমধ্যে প্রায় শতাধিক সামগ্রীর কাজ জমা পড়েছে এবং পুজোর আগে পর্যন্ত এই ব্যস্ততা জারি থাকে। কাজে বাবাকে পূর্ণ সহায়তা করেন তাঁর বিবাহিত কন্যা বর্ণালী প্রামাণিক কংসবণিক। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে কাজ দেখতে দেখতে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তিনি এই দক্ষতা অর্জন করেছেন। তবে প্রতিমার অলঙ্করণের মূল দায়িত্ব সামলান বর্ণালীদেবীই। বাবা কাশীনাথবাবু অ্যাসিড দিয়ে পরিষ্কার ও বব হুইলের মাধ্যমে ধাতব সামগ্রী পালিশ করার পর বর্ণালীদেবী শুদ্ধাচারে পরিষ্কার ও বব হুইলের মাধ্যমে ধাতব সামগ্রী পালিশ করার পর বর্ণালীদেবী শুদ্ধাচারে চক্ষুদান করেন৷ |

Ritabrata Banerjee: ‘শুধু যাওয়া আসা…’, কখনও সঙ্গী বিজেপি, কখনও কংগ্রেস, মমতাকে নিশানা করে কী লিখলেন ঋতব্রত? | লেটেস্ট কলকাতার খবর


Last Updated:

ঋতব্রতর পোস্টের শিরোনাম, ‘ভোট বদল, সঙ্গী বদল’। সেখানে ১৯৯৮ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত একাধিক নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থানের উল্লেখ করা হয়েছে।

ঋতব্রতর নিশানায় মমতা৷
ঋতব্রতর নিশানায় মমতা৷

শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা।’ এই মন্তব্য করেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা উসকে দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি গ্রাফিক পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রাপথ তুলে ধরেছেন তিনি। পোস্টে দেখানো হয়েছে, বিভিন্ন নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও জোটসঙ্গী পরিবর্তনের ইতিহাস।

নির্বাচন ধরে ধরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা পোস্ট অনুযায়ী, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়েন তিনি। ২০০৪ সালের লোকসভা এবং ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফের বিজেপি-র সঙ্গে জোটে ছিলেন মমতা। এরপর ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়াই করেন তিনি।

২০১১ সালে বামফ্রন্টকে পরাজিত করে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের জোট। মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তী সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে তৃণমূলের। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে একাই লড়াই করে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল।

ঋতব্রতর এই পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরে কটাক্ষ করা হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তবে পোস্টে সরাসরি কোনও নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করলেও গ্রাফিকের মাধ্যমে বিভিন্ন নির্বাচনে মমতার জোটসঙ্গী পরিবর্তনের ঘটনাকেই সামনে আনা হয়েছে।

গত বিধানসভা নির্বাচনে হার এবং দলের ভাঙনের পরই ফের কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে মন দিয়েছেন মমতা৷ এমন কি, রাজনৈতিক মহলকে অবাক করে দিয়ে বামেদের সঙ্গেও জোট আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছেন তিনি৷ ফোনে একপ্রস্ত কথার পর সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে দিল্লিতে বিরোধীদের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতাকে৷ তার পরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে সমাজমাধ্যমে এই পোস্ট করলেন ঋতব্রত৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *