Headlines

Housewife returns to maternal home during Kali Puja and makes mundomala of idol ৬৯ বছর বয়সী প্রবীণ কারিগর কাশীনাথ কংসবণিক। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবার নিষ্ঠার সঙ্গে বাঁচিয়ে রেখেছেন পৈতৃক এই কাজ। দুর্গোৎসবের পর থেকে কালীপুজো পর্যন্ত কাজের চাপ তুঙ্গে ওঠে। শান্তিপুরের বিখ্যাত আগমেশ্বরী, বোম্বাটে কালী, খুরখুরি কালী, মহিষখাগী কিংবা মাধব কালীর মতো বহু প্রাচীন বিগ্রহের খাঁড়া, চাঁদমালা, মুণ্ডমালা, ত্রিশূল, ডুগডুগি ও শিং পালিশ এবং সাজসজ্জার জন্য নিয়ে আসা হয় তাঁদের কাছে। ইতিমধ্যে প্রায় শতাধিক সামগ্রীর কাজ জমা পড়েছে এবং পুজোর আগে পর্যন্ত এই ব্যস্ততা জারি থাকে। কাজে বাবাকে পূর্ণ সহায়তা করেন তাঁর বিবাহিত কন্যা বর্ণালী প্রামাণিক কংসবণিক। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে কাজ দেখতে দেখতে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তিনি এই দক্ষতা অর্জন করেছেন। তবে প্রতিমার অলঙ্করণের মূল দায়িত্ব সামলান বর্ণালীদেবীই। বাবা কাশীনাথবাবু অ্যাসিড দিয়ে পরিষ্কার ও বব হুইলের মাধ্যমে ধাতব সামগ্রী পালিশ করার পর বর্ণালীদেবী শুদ্ধাচারে পরিষ্কার ও বব হুইলের মাধ্যমে ধাতব সামগ্রী পালিশ করার পর বর্ণালীদেবী শুদ্ধাচারে চক্ষুদান করেন৷ |

Diwali Clay Lamp: চাহিদা দেদার, তবুও কেন ঘুম উড়েছে কুমোরদের? দীপাবলিতে মিলবে তো মাটির প্রদীপ, নাকি ফাঁকা থাকবে বাজার? | Diwali Clay Lamp High Demand Yet Deep Worries Will Earthen Lamps Fall Short This Diwali | পূর্ব মেদিনীপুর


Last Updated:

Diwali Clay Lamp: দীপাবলির আলোয় বাহারি ইলেকট্রিক লাইটের দাপট কমিয়ে যখন ফের কদর বাড়ছে চিরাচরিত মাটির প্রদীপের, ঠিক তখনই পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে তৈরি হয়েছে বড়সড় সংকট।

+

মাটির

মাটির প্রদীপ তৈরি করছেন কুমোররা

সৈকত শী, নন্দকুমার: দীপাবলির আলোয় ফিরছে মাটির প্রদীপের কদর। রংবেরঙের বৈদ্যুতিক আলোর ঝলকানির মাঝেও কালীপুজোর আগে বাড়ছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই চিন্তায় নন্দকুমারের কুমোররা। এক দিকে মাটির দাম বৃদ্ধি, অন্য দিকে প্রতিকূল আবহাওয়া। রোদ না ওঠায় শুকোচ্ছে না তৈরি প্রদীপ। তার উপর রয়েছে মাটি সংগ্রহ এবং প্রদীপ মজুত করার জায়গার সমস্যা। সব মিলিয়ে পুজোর আগে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন মৃৎশিল্পীরা।

দীপান্বিতা অমাবস্যায় প্রদীপ জ্বালানোর রীতি বহু প্রাচীন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাটির প্রদীপের জায়গা অনেকটাই দখল করেছিল বাহারি বৈদ্যুতিক আলো। দীপাবলিতে বাড়ি সাজানোর ক্ষেত্রে সেই আলোর দাপটে ম্লান হয়েছিল প্রদীপের শিখা। কিন্তু গত কয়েক বছরে ফের মাটির প্রদীপের চাহিদা বাড়ছে বলে দাবি শিল্পীদের। ফলে কালীপুজোর মরশুমে ব্যস্ততা বেড়েছে কুমোরপাড়ায়। নন্দকুমার ব্লকের দক্ষিণ ধলহরা, উত্তর রাউতৌড়ি ও বেতকল্লা-সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি পরিবার এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। সারা বছর পুজোর নানা উপকরণ তৈরি করলেও কালীপুজোর আগে তাঁদের প্রধান কাজ প্রদীপ তৈরি। কিন্তু এ বার ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের কারণে আবহাওয়া খারাপ থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সিটং নয়, এবার ডুয়ার্সের এই গোপন ঠিকানাতেই বিনামূল্যে দেখা মিলবে কমলালেবুর বাগান, রইল সম্পূর্ণ ট্যুর গাইড

আলোর উৎসবে কৃত্রিম আলো নয়, বাড়ছে চিরাচরিত মাটির প্রদীপের চাহিদা। সামনেই দীপান্বিতা আমাবস্যা বা কালীপুজো। দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। বিগত কয়েক বছর এই আলোর উৎসবের প্রধান উৎস ছিল রংবেরঙের বাহারী লাইট। কিন্তু ধীরে ধীরে বিক্রি বাড়ছে গ্রাম বাংলার চিরাচরিত মাটির প্রদীপের। মাটির প্রদীপ তৈরি ও বিক্রি বিগত ৪-৫ বছর ধরেই ক্রমবর্ধমান দাবি বিক্রেতাদের। বিশেষ করে করোনা কালের পর মাটির প্রদীপের চাহিদা বেড়েছে আগের তুলনায় অনেকটাই। ফলে দীপাবলিতে চিরাচরিত হাসি ফিরেছে কুম্ভকারদের মুখে। কিন্তু এবছর দুর্যোগ কিছুটা চাপ বাড়িয়েছে কুম্ভকারদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *