Last Updated:
Diwali Clay Lamp: দীপাবলির আলোয় বাহারি ইলেকট্রিক লাইটের দাপট কমিয়ে যখন ফের কদর বাড়ছে চিরাচরিত মাটির প্রদীপের, ঠিক তখনই পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে তৈরি হয়েছে বড়সড় সংকট।
সৈকত শী, নন্দকুমার: দীপাবলির আলোয় ফিরছে মাটির প্রদীপের কদর। রংবেরঙের বৈদ্যুতিক আলোর ঝলকানির মাঝেও কালীপুজোর আগে বাড়ছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই চিন্তায় নন্দকুমারের কুমোররা। এক দিকে মাটির দাম বৃদ্ধি, অন্য দিকে প্রতিকূল আবহাওয়া। রোদ না ওঠায় শুকোচ্ছে না তৈরি প্রদীপ। তার উপর রয়েছে মাটি সংগ্রহ এবং প্রদীপ মজুত করার জায়গার সমস্যা। সব মিলিয়ে পুজোর আগে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন মৃৎশিল্পীরা।
দীপান্বিতা অমাবস্যায় প্রদীপ জ্বালানোর রীতি বহু প্রাচীন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাটির প্রদীপের জায়গা অনেকটাই দখল করেছিল বাহারি বৈদ্যুতিক আলো। দীপাবলিতে বাড়ি সাজানোর ক্ষেত্রে সেই আলোর দাপটে ম্লান হয়েছিল প্রদীপের শিখা। কিন্তু গত কয়েক বছরে ফের মাটির প্রদীপের চাহিদা বাড়ছে বলে দাবি শিল্পীদের। ফলে কালীপুজোর মরশুমে ব্যস্ততা বেড়েছে কুমোরপাড়ায়। নন্দকুমার ব্লকের দক্ষিণ ধলহরা, উত্তর রাউতৌড়ি ও বেতকল্লা-সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি পরিবার এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। সারা বছর পুজোর নানা উপকরণ তৈরি করলেও কালীপুজোর আগে তাঁদের প্রধান কাজ প্রদীপ তৈরি। কিন্তু এ বার ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের কারণে আবহাওয়া খারাপ থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
আলোর উৎসবে কৃত্রিম আলো নয়, বাড়ছে চিরাচরিত মাটির প্রদীপের চাহিদা। সামনেই দীপান্বিতা আমাবস্যা বা কালীপুজো। দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। বিগত কয়েক বছর এই আলোর উৎসবের প্রধান উৎস ছিল রংবেরঙের বাহারী লাইট। কিন্তু ধীরে ধীরে বিক্রি বাড়ছে গ্রাম বাংলার চিরাচরিত মাটির প্রদীপের। মাটির প্রদীপ তৈরি ও বিক্রি বিগত ৪-৫ বছর ধরেই ক্রমবর্ধমান দাবি বিক্রেতাদের। বিশেষ করে করোনা কালের পর মাটির প্রদীপের চাহিদা বেড়েছে আগের তুলনায় অনেকটাই। ফলে দীপাবলিতে চিরাচরিত হাসি ফিরেছে কুম্ভকারদের মুখে। কিন্তু এবছর দুর্যোগ কিছুটা চাপ বাড়িয়েছে কুম্ভকারদের।
