Headlines

Agriculture Loss: জল জমে টইটম্বুর বিঘার পর বিঘা জমি, অঙ্কুরেই নষ্ট রসুনের চারা! ওলটপালট হয়ে গেল বহু চাষির কপাল | Unseasonal rains submerge garlic fields in Murshidabad causing heavy losses for farmers | মুর্শিদাবাদ


Last Updated:

Agriculture Loss: অকাল বৃষ্টিতে বিঘার পর বিঘা রসুন খেত জলের তলায়! মাথায় হাত মুর্শিদাবাদের চাষিদের। অক্টোবরের শেষে নিম্নচাপের অকাল বৃষ্টিতে বরবাদ বিঘার পর বিঘা রসুন খেত! বীজ পচে যাওয়ার আশঙ্কায় মাথায় হাত মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ও সাগরপাড়ার চাষিদের।

+

অসময়ের

অসময়ের বৃষ্টিতে বিরাট ক্ষতির মুখে রসুন চাষিরা

মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: অক্টোবর মাসের শেষে দিকে হঠাৎই বৃষ্টির জেরে জল জমে গিয়েছে বিঘের পর বিঘে রসুন চাষের জমিতে। নিশ্চিন্তে রসুন চাষ করে ঘরে তুলবেন বলে ভেবেছিলেন চাষিরা। কিন্তু বৃষ্টির জেরে জমিতে জল জমে পচন ধরেছে রসুন চারাতে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রচুর টাকা খরচ করে রসুন লাগিয়ে লোকসান হওয়ার আশঙ্কা করছেন সাগরপাড়ার চাষিরা। কেউ তিনদিন, কেউ দুদিন আগে বিঘাতে প্রায় ২৫-৩০ হাজার টাকা খরচ করে রসুন লাগিয়েছিলেন। কিন্তু নিম্নচাপের প্রভাবে মাঠেই স্বপ্ন ভেঙে পড়ল কৃষকদের।

তিনদিন থেকে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে, এরফলে জমিতে জল জমে গিয়েছে। যারা গতকাল বা দু’দিন আগে জমিতে সেচ দিয়েছিলেন তাদের অবস্থা সবথেকে খারাপ। রসুনের বিজ অঙ্কুরিত হওয়ার আগেই পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। ফলে বড়সড় লোকসানের মুখে জেলার চাষিরা। উল্লেখ্য এবার সাগরপাড়ার রেকর্ড সংখ্যক চাষী রসুন লাগিয়েছিলেন। কিন্তু নিম্নচাপের প্রভাবে সব ওলটপালট করে দিয়েছে বলে অভিযোগ চাষিদের। এখন কীভাবে লোকসান সামাল দেবেন নিয়েই চিন্তিত চাষিরা। যদিও এই পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি আবহাওয়াকে দায়ী করছেন না তাঁরা।

আরও পড়ুন: গভীর রাতে ষোড়শোপচারে মহাপুজো, সোনায় সাজবেন দেবী! দীপান্বিতা আমাবস্যায় নলহাটিতে বিরাট আয়োজন

মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি ও সাগরপাড়াতে রসুন চাষ করে অধিক লাভের আশায় ছিলেন কৃষকরা। কৃষকরা এও জানিয়েছেন, এবছর রসুনের চাহিদা তুঙ্গে থাকলেও বর্তমানে শ্রমিক পাচ্ছিলেন না মাঠে চাষ করার জন্য। তবে বেশি দামের আশায় এই চাষ করা হয়েছিল। তবে এবছর লাভ জনক মিলেছিল রসুনে। প্রথম দিকে কাঁচা রসুন বিক্রি হয়েছে ১৮ – ২০ হাজার কুইন্টাল। পরে ২৫-২৭ হাজার টাকা কুইন্টাল প্রতি বিক্রি হবে বলে আশা ছিল। ফলে কৃষকরা রসুন চাষে বিশেষ নজর দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎই বৃষ্টিতে মাথায় হাত এখন কৃষকদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *