Headlines

North 24 Parganas News: নৈহাটির বড়মার মন্দিরে দণ্ডি কাটা ও মানত পূরণে স্বর্ণালঙ্কার দান করতে চান? এবার ভক্তদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা, কী কী নিয়ম? জানুন Naihati Boroma Temple special guidelines and rules about dandi kata and vow fulfil | পশ্চিমবঙ্গের আজকের খবর


Last Updated:

নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মার পুজোকে কেন্দ্র করে ভক্তদের সুবিধা ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মানত পূরণ ও প্রণামী জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নৈহাটির বড়মার মন্দিরে দণ্ডি কাটা ও মানত পূরণে স্বর্ণালঙ্কার দান করতে চান
নৈহাটির বড়মার মন্দিরে দণ্ডি কাটা ও মানত পূরণে স্বর্ণালঙ্কার দান করতে চান

উত্তর ২৪ পরগনা: নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মার পুজোকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। সারাবছর ধরেই ভক্তরা অপেক্ষা করে থাকেন মায়ের কাছে পুজো দেওয়ার জন্য। কেউ মানতের স্বর্ণালঙ্কার দান করতে চান, কেউ আবার দণ্ডী কাটার পরিকল্পনা করেন। ভক্তদের সুবিধা ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবার একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি পুজোকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তরফেও শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। বড়মার পুজোয় যেতে চাইলে কোন কোন নিয়ম মানতে হবে? জেনে নিন বিস্তারিত।

মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত মানতের সোনা-দানা ও প্রণামী জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। তবে ৬ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বড়মার মূল মন্দির সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হবে। ফলে যাঁরা মন্দিরে গিয়ে প্রণামী জমা দিতে চান কিংবা নিজেদের মানত পূরণ করতে চান, তাঁদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পরিকল্পনা করে নিতে হবে।

অন্যদিকে, ৭ নভেম্বর থেকে বড়মার পুজো উপলক্ষে দণ্ডী কাটার মূল পর্ব শুরু হবে। ওই দিন থেকেই ফল ও মিষ্টির ডালি গ্রহণের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছে বড়মা পুজো কমিটি। দণ্ডী কাটার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ৭ নভেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তাই মানত পূরণ করতে আসা ভক্তদের এই সময়সীমা মেনেই দণ্ডী কাটতে হবে।

প্রতিবছরই বড়মাকে দর্শন করতে নৈহাটিতে বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামাল দিতে এবার নিরাপত্তার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচশোর বেশি স্বেচ্ছাসেবক ও এনসিসি ক্যাডেট মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি থাকবে মহিলা পুলিশ, চিকিৎসক দল এবং অ্যাম্বুল্যান্স। অসুস্থ পুণ্যার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করার জন্য বিশেষ টোটো অ্যাম্বুল্যান্সেরও ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

এছাড়াও, ভিড়ের উপর নজরদারি চালাতে ব্যবহার করা হবে ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরা। দর্শনার্থীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণে এ বছর থেকে চালু করা হবে ওয়ান ওয়ে ব্যবস্থা। চোরবাগানের সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে প্রশাসন।

সব মিলিয়ে, নৈহাটির বড়মার পুজোকে ঘিরে ভক্তদের সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মন্দির কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। তবে মন্দিরে দর্শন, প্রণামী জমা দেওয়া কিংবা দণ্ডী কাটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সকল ভক্তকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *