সম্প্রতি প্রথমবারের মতো এই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর দম্পতি গগন ও অরুণ। দিল্লি থেকে কাশ্মীর যাওয়ার পথে তাঁরা ফার্স্ট AC কোচে ভ্রমণ করেন। ট্রেনের ভিতরে কী কী সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এবং অন্যান্য শ্রেণির তুলনায় এই যাত্রা কতটা আলাদা, তারই ঝলক তুলে ধরে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন ওই দম্পতি।
ভিডিওতে প্রথমবার ফার্স্ট AC-তে ভ্রমণ করতে যাওয়ার উত্তেজনার কথা জানান তাঁরা। তাঁদের কথায়, “আমাদের জীবনে এই প্রথম আমরা ফার্স্ট AC-তে ভ্রমণ করতে চলেছি এবং দিল্লি থেকে কাশ্মীর যাচ্ছি।” তাঁরা আরও জানান, ট্রেনযাত্রা বরাবরই তাঁদের আকৃষ্ট করে এবং এই অভিজ্ঞতা হতে চলেছে একেবারেই অন্যরকম।
প্রথমেই ফার্স্ট AC-তে যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসরের সুযোগের বিষয়টি তুলে ধরেন তাঁরা। অন্যান্য শ্রেণির মতো যেখানে খোলা কোচের মধ্যে একসঙ্গে একাধিক যাত্রীকে থাকতে হয়, সেখানে ফার্স্ট AC-তে দরজা দেওয়া আলাদা কম্পার্টমেন্টের মধ্যে আসন ও বার্থের ব্যবস্থা থাকে। দম্পতি জানান, প্রতিটি কেবিন বা কুপের গায়ে A, B, C, D অথবা E-র মতো অক্ষর দিয়ে চিহ্নিত করা থাকে।
পাশাপাশি কেবিন ও কুপের মধ্যে পার্থক্যও বুঝিয়ে দেন তাঁরা। চারটি বার্থবিশিষ্ট কম্পার্টমেন্টকে বলা হয় কেবিন। অন্যদিকে, যেখানে মাত্র দু’টি বার্থ থাকে, সেটিকে বলা হয় কুপ। একসঙ্গে ভ্রমণকারী দম্পতিদের জন্য দ্বিতীয় বিকল্পটি বেশ সুবিধাজনক হতে পারে। কারণ, এতে আরও বেশি ব্যক্তিগত পরিসর পাওয়া যায় এবং নিজেদের মতো করে যাত্রা উপভোগ করা সম্ভব হয়।
কম্পার্টমেন্টের ভিতরের ব্যবস্থার বিষয়েও দর্শকদের ধারণা দেন ওই দম্পতি। তাঁরা জানান, উপরের বার্থে ওঠার জন্য সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন যাত্রীরা। তাঁদের নজর কাড়ে আরও একটি বিশেষ সুবিধা, সেটি হল বাথরুম। যেখানে যাত্রাপথেই স্নান করার সুযোগ রয়েছে। অন্যান্য ট্রেনের শ্রেণির তুলনায় ফার্স্ট AC-কে আলাদা করে তোলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য এটি।
খাবার ও অন্যান্য পরিষেবা সম্পর্কে বলতে গিয়ে গগন ও অরুণ জানান, যাত্রাপথে খাবার বা পানীয় নিয়ে যাত্রীদের বিশেষ চিন্তা করতে হয় না। চা, কফি, জল এবং খাবারের ব্যবস্থা থাকে। ফলে সাধারণ খাবার বা পানীয়ের জন্য কম্পার্টমেন্টের বাইরে না গিয়েও যাত্রীরা নিজেদের ভ্রমণ উপভোগ করতে পারেন। ফার্স্ট AC-র টিকিটের দাম যে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি, তা স্বীকার করে নিয়েছেন ওই দম্পতি। তবে তাঁদের মতে, অন্তত একবার এই অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেখা যেতেই পারে।
ট্রেনযাত্রার নিজস্ব এক আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। বিশেষ করে জানলার বাইরে বদলে যেতে থাকা দৃশ্য দেখতে দেখতে নিশ্চিন্তে বসে আরাম করে ভ্রমণ করার সুযোগ থাকলে সেই অভিজ্ঞতা আরও মনোরম হয়ে ওঠে। অধিকাংশ যাত্রী স্লিপার, 3AC অথবা 2AC কোচে ভ্রমণে অভ্যস্ত হলেও ফার্স্ট AC-তে যাত্রার অভিজ্ঞতা একেবারেই অন্যরকম। ব্যক্তিগত কেবিন, আরামদায়ক বার্থ থেকে শুরু করে অতিরিক্ত নানা সুযোগ-সুবিধা, সব মিলিয়ে ট্রেনে ভ্রমণের আরও বিলাসবহুল অভিজ্ঞতা দেয় এই শ্রেণি। তবে এই অভিজ্ঞতার জন্য খরচও করতে হয় অনেক বেশি।
সম্প্রতি প্রথমবারের মতো এই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর দম্পতি গগন ও অরুণ। দিল্লি থেকে কাশ্মীর যাওয়ার পথে তাঁরা ফার্স্ট AC কোচে ভ্রমণ করেন। ট্রেনের ভিতরে কী কী সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এবং অন্যান্য শ্রেণির তুলনায় এই যাত্রা কতটা আলাদা, তারই ঝলক তুলে ধরে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন ওই দম্পতি।
ভিডিওতে প্রথমবার ফার্স্ট AC-তে ভ্রমণ করতে যাওয়ার উত্তেজনার কথা জানান তাঁরা। তাঁদের কথায়, “আমাদের জীবনে এই প্রথম আমরা ফার্স্ট AC-তে ভ্রমণ করতে চলেছি এবং দিল্লি থেকে কাশ্মীর যাচ্ছি।” তাঁরা আরও জানান, ট্রেনযাত্রা বরাবরই তাঁদের আকৃষ্ট করে এবং এই অভিজ্ঞতা হতে চলেছে একেবারেই অন্যরকম।
প্রথমেই ফার্স্ট AC-তে যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসরের সুযোগের বিষয়টি তুলে ধরেন তাঁরা। অন্যান্য শ্রেণির মতো যেখানে খোলা কোচের মধ্যে একসঙ্গে একাধিক যাত্রীকে থাকতে হয়, সেখানে ফার্স্ট AC-তে দরজা দেওয়া আলাদা কম্পার্টমেন্টের মধ্যে আসন ও বার্থের ব্যবস্থা থাকে। দম্পতি জানান, প্রতিটি কেবিন বা কুপের গায়ে A, B, C, D অথবা E-র মতো অক্ষর দিয়ে চিহ্নিত করা থাকে।
পাশাপাশি কেবিন ও Coupe-র মধ্যে পার্থক্যও বুঝিয়ে দেন তাঁরা। চারটি বার্থবিশিষ্ট কম্পার্টমেন্টকে বলা হয় কেবিন। অন্যদিকে, যেখানে মাত্র দু’টি বার্থ থাকে, সেটিকে বলা হয় কুপ। একসঙ্গে ভ্রমণকারী দম্পতিদের জন্য দ্বিতীয় বিকল্পটি বেশ সুবিধাজনক হতে পারে। কারণ, এতে আরও বেশি পার্সোনাল স্পেস পাওয়া যায় এবং নিজেদের মতো করে যাত্রা উপভোগ করা সম্ভব হয়।
কম্পার্টমেন্টের ভিতরের ব্যবস্থার বিষয়েও দর্শকদের ধারণা দেন ওই দম্পতি। তাঁরা জানান, উপরের বার্থে ওঠার জন্য সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন যাত্রীরা। তাঁদের নজর কাড়ে আরও একটি বিশেষ সুবিধা, সেটি হল বাথরুম। যেখানে যাত্রাপথেই স্নান করার সুযোগ রয়েছে। অন্যান্য ট্রেনের শ্রেণির তুলনায় ফার্স্ট AC-কে আলাদা করে তোলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য এটি।
খাবার ও অন্যান্য পরিষেবা সম্পর্কে বলতে গিয়ে গগন ও অরুণ জানান, যাত্রাপথে খাবার বা পানীয় নিয়ে যাত্রীদের বিশেষ চিন্তা করতে হয় না। চা, কফি, জল এবং খাবারের ব্যবস্থা থাকে। ফলে সাধারণ খাবার বা পানীয়ের জন্য কম্পার্টমেন্টের বাইরে না গিয়েও যাত্রীরা নিজেদের ভ্রমণ উপভোগ করতে পারেন।
ফার্স্ট AC-র টিকিটের দাম যে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি, তা স্বীকার করে নিয়েছেন ওই দম্পতি। তবে তাঁদের মতে, অন্তত একবার এই অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেখা যেতেই পারে। দম্পতির ফার্স্ট AC-তে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেকেই বিশেষভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ব্যক্তিগত কুপের ব্যবস্থাটি নিয়ে। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘‘বহুত মস্ত হোতা হ্যায় Coupe’ (কুপে সত্যিই দারুণ হয়)। টিকিটের দাম কত, কমেন্টে অনুরাগীদের এমন প্রশ্নের উত্তরে ওই দম্পতি জানিয়েছেন, “জনপ্রতি প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।”
এছাড়াও, একাধিক নেটিজেন কমেন্ট বক্সে ‘রেড হার্ট’ ইমোজি দিয়ে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
