Headlines

Money Making Idea: চাইনিজ লাইটের ভিড়ে দেদার চাহিদা! আয়ও নজরকাড়া, দীপাবলির মরশুমে জমজমাট শিলিগুড়ির এই কুটিরশিল্প | Money Making Idea High Demand And Bulk Orders Make This Siliguri Cottage Industry Shine Bright | শিলিগুড়ি খবর


Last Updated:

Money Making Idea: আধুনিক চাইনিজ এলইডি লাইটের দাপট সত্ত্বেও দীপাবলিতে মোমবাতির চাহিদা একটুও কমেনি। শিলিগুড়ির আশিঘর সংলগ্ন পাপিয়া পাড়ার পাল পরিবার গত দুই দশক ধরে এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখে দিনরাত পরিশ্রম করে ভিনরাজ্যেও সাপ্লাই দিচ্ছে তাঁদের কারখানায় তৈরি মোমবাতি।

+

লিগুড়ির

লিগুড়ির আশিঘর পাপিয়া পাড়ায় পাল পরিবারের কারখানায় তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার মোমবাতি

শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। চারদিকে এখন চাইনিজ এলইডি লাইট, রকমারি রঙিন আলোর ঝলকানি। আধুনিক আলোর দাপটে বাজারে বদল এসেছে অনেকটাই। তবুও আজও নিভে যায়নি মোমবাতির চাহিদা, হারিয়ে যায়নি বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এক ঐতিহ্য। আর সেই ঐতিহ্যকেই আঁকড়ে ধরে সংসার চালাচ্ছে শিলিগুড়ির একটি পরিবার। দীপাবলির আগে আশিঘর সংলগ্ন পাপিয়া পাড়ার পাল বাড়িতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। সকাল থেকে রাত, পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কর্মচারীদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। কেউ মোম গলাচ্ছেন, কেউ ছাঁচে ঢালছেন, আবার কেউ তৈরি মোমবাতি সাজিয়ে রাখছেন বাজারে পাঠানোর জন্য।

প্রায় ২০-২৫ বছর আগে এই কাজের সূচনা করেছিলেন পরিবারের সদস্য অসিত পাল। বাড়ির মধ্যেই ছোট পরিসরে শুরু হয়েছিল মোমবাতি তৈরির কাজ। ধীরে ধীরে সেই কাজই হয়ে ওঠে পরিবারের প্রধান জীবিকা। শুধু নিজের সংসার চালানো নয়, আশপাশের বহু মানুষকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছিলেন তিনি। বিশেষ করে এলাকার বহু মহিলাকে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত করে স্বনির্ভর হওয়ার পথ দেখিয়েছিলেন। সময়ের সঙ্গে ছোট্ট উদ্যোগটি ধীরে ধীরে পরিচিতি পায়। শিলিগুড়ির বিভিন্ন বাজারে ছড়িয়ে পড়ে তাঁদের তৈরি মোমবাতি।

আরও পড়ুন: বাংলায় বসেই দেদার ইনকাম, হাজার-হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের আয়ের নয়া দিশা! মালদায় ‘হিট’ কোটির এই ব্যবসা

কিন্তু জীবনের পথে বাধাও এসেছে। অসিত পালের স্ট্রোক হওয়ার পর শারীরিক সমস্যার কারণে আগের মতো কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কথা বলতেও কিছুটা সমস্যা হয় তাঁর। তবুও কাজের প্রতি ভালবাসা আর মনের জেদ এতটুকু কমেনি। এখনও কারখানায় বসে মোমবাতি তৈরির কাজ দেখেন, পরিবারের সদস্যদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে মূলত তাঁর ছেলে রঞ্জন পাল বাবার শুরু করা ব্যবসার হাল ধরেছেন। ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের সাদা মোমবাতি তৈরি হয় তাঁদের এই কারখানায়।

শুধু শিলিগুড়ির বাজারেই সীমাবদ্ধ নয় এই পরিবারের তৈরি মোমবাতি। এখান থেকে বিভিন্ন জেলা এবং ভিনরাজ্যেও পাড়ি দেয় তাঁদের তৈরি পণ্য। আধুনিক আলোর বাহারি সাজের মধ্যেও পুজো, দীপাবলি কিংবা বিশেষ অনুষ্ঠানে সাদা মোমবাতির আলাদা চাহিদা রয়েছে। আর সেই চাহিদাকে ভরসা করেই বছরের পর বছর ধরে এগিয়ে চলেছে পাল পরিবারের এই ছোট্ট উদ্যোগ। একদিকে বাবার তৈরি করে যাওয়া ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই, অন্যদিকে পরিবারের সকলের সম্মিলিত পরিশ্রম—সব মিলিয়ে দীপাবলির আগে এই বাড়িতে শুধু মোমবাতি তৈরি হচ্ছে না, জ্বলে উঠছে আত্মনির্ভরতার এক অন্য আলো।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *