Headlines

Shantiniketan Tour: শান্তিনিকেতনে রঙিন কাচে বিচ্ছুরিত আলোয় উদ্ভাসিত উপাসনা গৃহই পর্যটকদের প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি | লেটেস্ট লাইফস্টাইলের খবর


Last Updated:

Shantiniketan Tour: সপ্তাহান্তে পর্যটকদের ভিড় ভেঙে পড়ে শান্তিনিকেতনে। বিশ্বকবির স্মৃতিধন্য এই পীঠস্থানের অন্যতম আকর্ষণ রঙিন কাচের উপাসনা গৃহ। নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনার স্থলে প্রাণের আরাম, আত্মার প্রশান্তি অনুভব করেন পর্যটকরা।

+

News18

News18

বীরভূম,সৌভিক রায়: শান্তিনিকেতনে পা রাখলেই যে কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে, তার মধ্যে অন্যতম হল এখানকার বিখ্যাত ‘উপাসনা গৃহ’ বা কাচের মন্দির। বিশ্বভারতী চত্বরের এই শান্ত, স্নিগ্ধ ও নান্দনিক ভবনটি কেবল একটি উপাসনার স্থান নয়, বরং শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মোপাসনা ও আধ্যাত্মিক চেতনার মূল স্তম্ভ। শান্তিনিকেতনের এই ঐতিহাসিক উপাসনা গৃহটি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে।

১৮৬৩ সালের দিকে শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠার পর, এখানে একটি খোলামেলা উপাসনা স্থল গড়ার চিন্তা করেন তিনি। পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে (বাংলা ১২৯৮ সাল) এই বিশেষ উপাসনা গৃহটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরেই শান্তিনিকেতনে প্রথম নিরাকার ঈশ্বরের উপাসনার ধারা শুরু হয়েছিল। এই উপাসনা গৃহটির প্রধান আকর্ষণ এর গঠনশৈলী। চারদিক থেকে ঘেরা রঙিন ও স্বচ্ছ কাচের প্যানেল দিয়ে তৈরি এই ভবনটি এককথায় স্থাপত্যের এক অপূর্ব নিদর্শন।

ভবনের মেঝেটি ইতালীয় মার্বেল পাথরের তৈরি। কাচের ওপর সূর্যের আলো পড়লে পুরো মন্দির চত্বর এক মায়াবী ও দিব্য আলোয় ঝলমল করে ওঠে, যা যে কাউকে মুগ্ধ করে। সম্পূর্ণ নিরাকার ঈশ্বরের আরাধনা, ধ্যান এবং আত্মিক শান্তির জন্য এই স্থানটি তৈরি করা হয়েছিল। আজও প্রতি বুধবার এই উপাসনা গৃহে বিশেষ উপাসনা ও প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশ-বিদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পর্যটকরা অংশ নেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *