Headlines

Basundhara Goswami: ক্ষিতি গোস্বামীকেও শুনতে হয়েছিল ‘ক্ষতি গোস্বামী’! বুদ্ধদেবের সেই ‘শিল্প নীতি’ নিয়ে আজ চর্চা, মুখ খুললেন কন্যা বসুন্ধরা | লেটেস্ট কলকাতার খবর


Last Updated:

Basundhara Goswami: বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানান, শিল্প নীতি নিয়ে সমস্যা থাকলে তা জ্যোতি বসুর দায়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কেবল জ্যোতি বসুর জমানার শিল্প নীতি কার্যকর করেছিলেন মাত্র৷ তাঁর এই মন্তব্যের পরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা৷

কী বললেন ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে
কী বললেন ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে

কলকাতা: বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ডাকা জনসভার মঞ্চে দাঁড়িয়েই নাকি ত‍্যকালীন সরকারের জমি নীতির সমালোচনা করেছিলেন ক্ষিতি গোস্বামী। আর সেই কারণে তাঁকে না ‘ক্ষতি গোস্বামী’ বলে অপদস্থ করেছিলেন তাঁর দলেরই শরিক সিপিআইএমের নেতাকর্মীরা৷ শুক্রবার এমনই অভিযোগ করেছেন আরএসপি-র বর্ষীয়ান নেতা সুভাষ নস্কর৷ আজ, প্রায় ২০ বছর পরেও বামেদের সেই শিল্প নীতি এবং তা বলবৎ করা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন৷ তৈরি হচ্ছে বিতর্ক৷ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জমানার জমি নীতির সমালোচনা করার পরে এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য জানিয়েছেন বর্ষীয়ান বামফ্রন্ট নেতা বিমান বসু৷ জানিয়েছেন, ‘‘জ্যোতি বসুর নেতৃত্বেই বামফ্রন্ট সরকারের শিল্পনীতি গ্রহণ করা হয়েছে, ঘোষণা করা হয়েছে। সেই শিল্পনীতি নিয়ে যদি কোনও প্রবলেম হয়ে থাকে তাহলে দায় জ্যোতি বসুরই।’’ এপ্রসঙ্গে, কী বললেন একদা বুদ্ধদেবের সিঙ্গুর জমি নীতির বিরোধিতা করা ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা? বর্তমানে যিনি মমতাপন্থী তৃণমূলের নেত্রী৷

প্র: নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার মঞ্চে নন্দীগ্রাম নিয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শিল্পনীতির সমালোচনা করেছেন মুখ শুভেন্দু অধিকারীর। হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি জারি করার কোনও আইনি এক্তিয়ার ছিল না, সেটা মিডিয়ার সামনে মেনে নিলেও নিজের দলের মধ্যে কোণঠাসা হয়ে পড়ার জেরে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করার ফলশ্রুতিতেই ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে ঘটে যায় সেই ভয়াবহ ও মর্মান্তিক গণহত্যা। আপনি মনে করেন যে এই ভুল বুদ্ধ ভট্টাচার্য্যের?

উত্তর: সেটা তো সরকারি নথি বলবে কার এক্তিয়ার ছিল, ছিল না। নিজের হাতে নথি না ঘেঁটে দেখলে বলা ঠিক হবে না এই বিষয়।

প্র: বিমান বসু বলছেন, “জ্যোতি বসুর নেতৃত্বেই বামফ্রন্ট সরকারের শিল্পনীতি গ্রহণ করা হয়েছে, ঘোষণা করা হয়েছে। সেই শিল্পনীতি নিয়ে যদি কোনও প্রবলেম হয়ে থাকে তাহলে দায় জ্যোতি বসুরই।” বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সেই শিল্পনীতি কার্যকর করার জন্য দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তাহলে কী জ্যোতি বসুর শিল্প নীতিতে ভুল ছিল? দলের মধ্যেই প্রশ্ন তুলে দিলেন বিমান বসু?

উত্তর: দেখুন প্রগতিশীল সরকার ছিল৷ সেই সরকার কীভাবে কেমিক্যাল হাব নিয়ে এল জানি না। সারা দেশ এখন জৈব সার ব্যবহার করছে। এগুলো সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ছিল না৷ যে টেকনোলজি আর চলে না। মানুষকে ভূমি হারা করে শিল্প করা সরকারের ভুল ছিল৷ সারা ভারতবর্ষের কোথাও এই ব্যবস্থা টেকেনি৷ মানুষের খাদ্য সরক্ষার কথা ভেবে তো শিল্প আসেনি৷

প্র: ফের সিঙ্গুরে শিল্পের দামামা! সিঙ্গুরে আসছে অশোক লেল্যান্ড? মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা নিয়ে ফের জল্পনা রাজনৈতিক মহলে!

উত্তর: কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে। অশোননগরে তরল সোনা পাওয়া যাচ্ছে এটা শিল্প নয়। ‘আমুল’ সেই বড় কোঅপারেটিভ নেই। বহু মানুষের জীবিকা ধ্বংস করে আসছে।

প্র: ভোট পিছোচ্ছে কলকাতা পুরসভার। একক বেঞ্চের মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোট নয়। বর্ধিত আসনে এখনই নয় কলকাতা পুরভোট। ডিলিমিটেশন মামলায় অস্বস্তি হাইকোর্টে?

উত্তর: এসআইআর-এ যত নাম বাদ গেছে, এত মানুষ যদি সিদ্ধান্তের বাইরে থাকে, তাহলে সেই নির্বাচনের দাম নেই,কোনও মানে হয় না। প্রমাণ করে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে কত নাম বাদ গিয়েছে। ডিলিমিটেশনের কিছু নিয়ম থাকে, তা মানা হয়নি। কোনও যুক্তি নেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *