Headlines

Ancient Temple: কালীপুজোর মাহেন্দ্রক্ষণে ইতিহাসের সাক্ষী হতে আসুন মথুরাপুরের প্রাচীন ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরে, অপূর্ব অনুভূতিতে ভরে যাবে মন kali puja attraction includes ancient tripura sundari temple in mathurapur of south twenty parganas | লেটেস্ট লাইফস্টাইলের খবর


Last Updated:

Ancient Temple: কালীপুজোর অমানিশায় শহুরে ভিড় এড়িয়ে আসুন মথুরাপুরের প্রাচীন ত্রিপুরাসুন্দরীর মন্দিরে৷ শান্তি ও আধ্য়াত্মিকতায় পূর্ণ হবে মন৷ মন্দির সম্বন্ধে জানুন বিশদে।

+

News18

News18

মথুরাপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: মথুরাপুর তথা সুন্দরবনের সঙ্গে রয়েছে ‘ত্রিপুরা যোগ’। এই মথুরাপুরেই রয়েছে প্রাচীন ‘ত্রিপুরাসুন্দরী’ মন্দির। প্রাচীন এই মন্দির বহু ইতিহাসের সাক্ষী। এই মন্দির সংলগ্ন এলাকায় খনন কাজ চালিয়ে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী উদ্ধার হয়, যা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ মিউজিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

সুন্দরবনের এই ‘ত্রিপুরাসুন্দরী’ এবং ত্রিপুরার ‘ত্রিপুরেশ্বরীর’ নাম এখনও একই সঙ্গে উচ্চারিত হয়। একটা সময় এখানে জল জঙ্গলে ভর্তি ছিল। তার মাঝেই এখানে চলত পুজো। পরে ব্রিটিশ আমলে জঙ্গলে আটচালার মন্দির তৈরি হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া সেই মন্দির ভেঙে পড়ার পর নতুন মন্দিরটি তৈরি হয় কয়েক বছর আগেই। ধর্মীয় রীতি বাদ দিলেও এই মন্দিরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ‘কুব্জিকা তন্ত্র’ অনুয়ায়ী ত্রিপুরাসুন্দরীর এই মন্দির শক্তিপীঠের একটি। চৈতন্য মহাপ্রভু নীলাচলে যাওয়ার পথে ভক্তদের নিয়ে কয়েকদিনের জন্য এখানে এসেছিলেন।

ত্রিপুরা রাজ্যের সর্বপ্রাচীন গ্রন্থ ‘রাজমালা’তে উল্লেখ রয়েছে এই মন্দিরের কথা। ত্রিপুরাসুন্দরীর অনেক পরে ত্রিপুরেশ্বরীর পুজো শুরু হলেও এই দুই বিগ্রহকে একই দেবী বলে ধরা হয়। আর সেখান থেকে জুড়ে যায় ত্রিপুরার সঙ্গে সুন্দরবনের মথুরাপুরের এক গ্রাম কৃষ্ণচন্দ্রপুরের নাম। আজও জায়গাটি সারাবছর নির্জন স্থান হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুন : গাছের ডালে এলিয়ে পড়ে চিত্রিত পেখম…চা বাগানে হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে ময়ূরকণ্ঠী সূর্যাস্ত দেখতে আসুন ডুয়ার্সের এই অফবিট নিরিবিলি ঠিকানায়

এই আখ্যান পাশে রাখলে প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে এই মন্দিরের প্রাচীনত্ব পরীক্ষিত। ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির চত্বরের মাটির নীচ থেকে বহু মূর্তি ও প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী উদ্ধার হয়। যেগুলি পাল ও সেন যুগের নিদর্শন বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। এ বিষয়ে সুন্দরবনের প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাসের গবেষক দেবীশংকর মিদ্যা জানান, “কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ মিউজিয়ামের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে বহু মূর্তি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছিল। সেগুলি রাজ্যের একাধিক মিউজিয়ামে রাখা রয়েছে। বর্তমান ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের মাটির নীচে রয়েছে পাল ও সেন যুগের প্রাচীন সেই মন্দির।” কালীপুজোয় ইতিহাসের সাক্ষী হতে ঘুরে আসুন এখান থেকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *