Last Updated:
Bangla News: নাবালক ছেলে চালাচ্ছিল স্কুটি। বাবা-মাকে জরিমানা করা হলো পঁচিশ হাজার টাকা! হ্যাঁ,ঠিক পড়ছেন। আইন মেনে পঁচিশ হাজার টাকাই জরিমানা দিয়েছেন ওই নাবালকের বাবা মা। কোথায় ঘটলো এমন ঘটনা?
বর্ধমান: আঠারো বছর না হলে দু চাকা বা চার চাকা গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স হয় না। কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে নবম দশম বা একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির অনেক পড়ুয়াই মোটর সাইকেল নিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করছে। পরিবহণ দফতর ধরলে ওই নাবালকের অভিভাবকদের মোটা টাকা জরিমানা গুনতে হতেই পারে। তারই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল বর্ধমানের একটি ঘটনা। নাবালককে স্কুটি চালাতে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা মা। সে কারণে পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হলো অভিভাবকদের।
পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের রেনেসাঁ রোড় সংলগ্ন এলাকায় চলছিল ভেহিকেল চেকিং অভিযান। সেখানেই এক নাবালককে স্কুটি চালাতে দেখে আটক করেন ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিকরা। যাচাই করে দেখা যায়, স্কুটিটি চালানো তরুণের বয়স ১৮ বছরের নীচে। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী সে নাবালক।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, বাবা-মায়ের সম্মতিতেই সে স্কুটির চাবি পেয়েছিল এবং নিয়মিতভাবে সে স্কুটি চালাচ্ছিল। এরপর স্কুটির মালিক এবং নাবালকের অভিভাবকদের ডেকে এনে, এম ভি এক্ট (Motor Vehicles Act)-এর নিয়ম অনুযায়ী ওই নাবালককে বাইক চালাতে চাবি দেওয়া ও তাকে উৎসাহিত করার জন্য পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, নাবালকদের হাতে স্কুটি-চাকা গাড়ির চাবি তুলে দেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক ও আইনবিরুদ্ধ। ভবিষ্যতে এমন ক্ষেত্রে আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জানান, সচেতনতার অভাবে পথ দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। আজকাল স্কুল পড়ুয়াদের অনেকেই মোটর সাইকেল নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করছে। এখনও তাদের আঠারো বছর বয়স হয়নি। তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই। অনেক সময় হাতে মোটর সাইকেল পেয়ে তারা তা বেপরোয়াভাবে চালাচ্ছে। তা থেকে বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে। তাতে সবচেয়ে বেশি আঘাত পাচ্ছেন বাবা মায়েরাই। তাই স্কুলগুলিকেও এ ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সতর্ক করছি আমরা।

