Headlines

Shantiniketan Upasana Griha has rich cultural heritage and Debendranath Tagore’s touch বিশ্বভারতী চত্বরের এই শান্ত, স্নিগ্ধ ও নান্দনিক ভবনটি কেবল একটি উপাসনার স্থান নয়, বরং শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মোপাসনা ও আধ্যাত্মিক চেতনার মূল স্তম্ভ। শান্তিনিকেতনের এই ঐতিহাসিক উপাসনা গৃহটি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে। ১৮৬৩ সালের দিকে শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠার পর, এখানে একটি খোলামেলা উপাসনা স্থান গড়ার চিন্তা করেন তিনি। পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে (বাংলা ১২৯৮ সাল) এই বিশেষ উপাসনা গৃহটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরেই শান্তিনিকেতনে প্রথম নিরাকার ঈশ্বরের উপাসনার ধারা শুরু হয়েছিল। এই উপাসনা গৃহটির প্রধান আকর্ষণ এর গঠনশৈলী। চারদিক থেকে ঘেরা রঙিন ও স্বচ্ছ কাঁচের প্যানেল দিয়ে তৈরি এই ভবনটি এককথায় স্থাপত্যের এক অপূর্ব নিদর্শন। ভবনের মেঝেটি ইতালীয় মার্বেল পাথরের তৈরি। কাঁচের ওপর সূর্যের আলো পড়লে পুরো মন্দির চত্বর এক মায়াবী ও দিব্য আলোয় ঝলমল করে ওঠে, যা যে কাউকে মুগ্ধ করে। এই মন্দিরের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল |

Durga Puja 2026 : রীতি মেনে পাতা হয় তামি, জলঘড়ি দেখে সন্ধিপুজো হয় খন্ডঘোষের শঙ্করী মায়ের, ১৫ দিন ধরে পুজো! | পশ্চিমবঙ্গের আজকের খবর


Last Updated:

Durga Puja : একটা সময় তো ঘড়ি ছিল না। তখনও সময় হিসেব কষে দেবীর পুজো হত। সেই নিয়ম আজও একইরকম রাখা হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের এই পুজোয়।

News18
News18

বর্ধমান : কষ্টিপাথরের শঙ্করী মায়ের পুজোকে ঘিরে এখন মাতোয়ারা পূর্ব বর্ধমানের শাঁকারি গ্রাম। ঘরে ঘরে আত্মীয় পরিজনের ভিড়। পনেরো দিন ধরে পুজো হয় মায়ের। এই মন্দিরকে ঘিরে ছড়িয়ে রয়েছে নানা লোককথা।

পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষের শঙ্করীমাতার পুজো চলে পনেরো দিন ধরে। মহালয়ার সাতদিন আগে পুজো শুরু হয়। চলে দশমী পর্যন্ত। প্রথম দিন মায়ের মূর্তি নিয়ে যাওয়া হয় এলাকার বোস পুকুরের পাড়ে। সেখানে অষ্টকলসের জলে সহস্র ধারায় মাকে স্নান করিয়ে ঘট তুলে কলা বউ সহ মাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রায় চারশো বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে।

পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষের শাঁকারি গ্রাম। অধিষ্ঠাত্রী দেবী শঙ্করীর নামেই গ্রামের এই নাম। শঙ্করীর মূর্তি কালো। তা কষ্টি পাথরে তৈরি। ইতিহাসবিদদের মতে, এই মূর্তি ষষ্ঠ শতকের। গ্রামের পাশে দেবখালে চারশো বছর আগে মূর্তিটি পাওয়া যায়। লোককথা, একদিন স্বপ্নাদেশ পান গ্রামের বাসিন্দা রাঘব রায়।

তাঁকে স্বপ্নে পুজো শুরুর নির্দেশ দেন মা। জানিয়ে দেন তাঁর অবস্হান। স্বপ্নাদেশ পেয়ে দেবখালের তীরে এই মূর্তির দেখা পান রাঘব রায়। গ্রামে এনে প্রতিষ্ঠার জন্য খোঁড়া হয় পুকুর। সেই পুকুরের মাটি ফেলে উঁচু করে তার ওপর প্রতিষ্ঠা করা হয় মাকে। দামোদরের বন্যায় যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই উঁচু জায়গায় প্রতিষ্ঠা।

গ্রামবাসীদের কেউ কেউ আবার বলছেন, দেবী থাকবেন মাথার ওপরে। সেজন্যই গ্রামের সব চেয়ে উঁচু জায়গায় মন্দির প্রতিষ্ঠা করে মায়ের পুজো শুরু হয়। আজও তামি পেতে জলঘড়ি দেখে মায়ের সন্ধিপুজোর সময় নির্ধারণ করা হয়।

এখন মাইক, লাউড স্পিকারের চল থাকলেও মন্দির থেকে জোর গলায় হেঁকে অন্য পুজোগুলিকে মায়ের সন্ধিপুজো সম্পর্কে জ্ঞাত করা হয়। সেই হাঁক শুনে সন্ধিপুজো হয় অন্যান্য সব পুজোয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *