Last Updated:
মন্ত্রীকে পুরনো অভ্যাস মতো ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নামতে দেখে অবাক হয়ে যান প্রতিবেশী এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও৷
আউশগ্রাম, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: কলকাতার একের পর এক বড় পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন, ব্যস্ত কর্মসূচি, মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ, সবকিছুর মাঝেও উৎসবের দিনে নিজের ঘর-সংসারের টান ভোলেননি রাজ্যের মন্ত্রী তথা আউশগ্রামের বিধায়ক কলিতা মাঝি।
দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীতে বাড়ি ফিরেই তাঁকে দেখা গেল ঘরের কাজকর্ম সামলাতে। অন্য বছর পুজোর আগে গোটা মাস ধরে বাড়ি পরিষ্কার করা ও গোছানোর যে পরিচিত অভ্যাস, এবারে ব্যস্ততার কারণে তা হয়ে ওঠেনি। তাই ষষ্ঠীর সকালে বাড়িতে ফিরে যতটা সম্ভব নিজের হাতে ঘরদোর পরিষ্কার করলেন তিনি। সেই সঙ্গে বাঙালি হিন্দু পরিবারের রীতি মেনে চৌকাঠে সিঁদুরের ফোঁটা দেওয়ার প্রস্তুতিও নিলেন। ব্যস্ত জনজীবনের আড়ালে উৎসবের দিনে বাড়ির মানুষ হয়ে ওঠার এই ছবিতেই ধরা পড়ল তাঁর পরিচিত ঘরোয়া সত্ত্বা।
কলিতা মাঝি বলেন, “অন্যান্য বার পুজোয় সারা মাস ধরে ঘরদোর গোছানোর কাজ করি। তো এবারে সেই সুযোগটা পাইনি। তাই আজকে সকাল ১০টার সময় এসে যতটা পারলাম বাড়ির কাজ করলাম।”
মন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচির ব্যস্ততা থাকলেও পুজোর দিনগুলিতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা রয়েছে কলিতা মাঝির। দিনের বেলায় পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখলেও রাতের সময়টা বাড়িতেই কাটানোর পরিকল্পনা তাঁর। পাশাপাশি আউশগ্রাম বিধানসভার বাসিন্দাদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, নিজের আনন্দে মেতে ওঠার পাশাপাশি অন্যের আনন্দের কথাও যেন সবাই মনে রাখেন। উৎসবের আনন্দ কারও কাছে যেন নিরানন্দের কারণ না হয়ে ওঠে, সেদিকেও নজর দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। পুজোর আলো, ঢাকের আওয়াজ আর উৎসবের ভিড়ের মধ্যেও ঘর-সংসারের টান এবং সাধারণ মানুষের ভাল থাকার কামনাই যেন তাঁর কাছে বড় হয়ে উঠেছে।
