ফসলি জমিতে ধান, গম কিংবা সবজি নয়, চাষ হচ্ছে বিদেশি প্রজাতির বাহারি গাঁদা ফুল। বিকল্প চাষাবাদে নজর কেড়ে নিয়েছেন মালদার এক কৃষক। আফ্রিকান মেরিগোল্ড প্রজাতির গাঁদা ফুল চাষ করে সাফল্যের নজির গড়েছেন তিনি। নিজের জমি না থাকলেও চাষের প্রতি আগ্রহে কোনও খামতি নেই। লিজে জমি নিয়ে সেখানেই সারা বছর ধরে চলছে ফুল চাষ। তাঁর এই উদ্যোগ জেলার অন্যান্য কৃষকদের কাছেও বিকল্প চাষের নতুন দিশা দেখাচ্ছে। মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের দামোদপুর গ্রামের বাসিন্দা পবন বন্দ্যোপাধ্যায়। পেশায় কৃষক হলেও পুরোহিতের কাজও করেন তিনি। বর্তমানে তিনটি পৃথক জমিতে মোট তিন বিঘা জমি লিজ নিয়ে আফ্রিকান মেরিগোল্ড-সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাঁদা ফুলের চাষ করছেন। পর্যায়ক্রমে ফুল উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকায় নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাজারে ফুল বিক্রি করতে পারছেন তিনি। পবন জানান, আগে মাশরুম চাষ করতেন। গত প্রায় সাত বছর ধরে আফ্রিকান প্রজাতির গাঁদা ফুল চাষ করছেন। তাঁর কথায়, মরশুম অনুযায়ী ফুলের দাম ওঠানামা করে। সাধারণত প্রতি কেজি ফুল ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। চৈত্র, বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস থেকে পুজোর মরশুম পর্যন্ত ভাল দাম পাওয়া যায়। শীতকালে উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা কমে যায়। বিঘা প্রতি দেড় থেকে দুই কুইন্টাল পর্যন্ত ফুল উৎপাদন হয়। এদিকে, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দূষ্য়ান্ত কুমার রাঘব জানান, মালদার মাটিতে গাঁদা ফুল চাষ যথেষ্ট উপযোগী। কলকাতা লাড্ডু, বেঙ্গল অরেঞ্জ ও বেঙ্গল ইয়েলো প্রজাতির গাঁদা এখানে চাষ করা যায়। এই ফুল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব। গাঁদা ফুলের চাষ চাষিদের জন্য বিকল্প লাভজনক চাষ। কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে জমির একদিকে গাঁদা ফুল চাষ করলে কীটপতঙ্গের আক্রমণ কমাতে এবং অন্যান্য ফসল ও সবজির উৎপাদন বাড়াতেও সহায়তা করে। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে গাঁদা চাষের। ফলে বিকল্প আয়ের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে এই ফুল চাষ।ফসলি জমিতে ধান, গম কিংবা সবজি নয়, চাষ হচ্ছে বিদেশি প্রজাতির বাহারি গাঁদা ফুল। বিকল্প চাষাবাদে নজর কেড়ে নিয়েছেন মালদার এক কৃষক। আফ্রিকান মেরিগোল্ড প্রজাতির গাঁদা ফুল চাষ করে সাফল্যের নজির গড়েছেন তিনি। নিজের জমি না থাকলেও চাষের প্রতি আগ্রহে কোনও খামতি নেই। লিজে জমি নিয়ে সেখানেই সারা বছর ধরে চলছে ফুল চাষ। তাঁর এই উদ্যোগ জেলার অন্যান্য কৃষকদের কাছেও বিকল্প চাষের নতুন দিশা দেখাচ্ছে। মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের দামোদপুর গ্রামের বাসিন্দা পবন বন্দ্যোপাধ্যায়। পেশায় কৃষক হলেও পুরোহিতের কাজও করেন তিনি। বর্তমানে তিনটি পৃথক জমিতে মোট তিন বিঘা জমি লিজ নিয়ে আফ্রিকান মেরিগোল্ড-সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাঁদা ফুলের চাষ করছেন। পর্যায়ক্রমে ফুল উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকায় নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাজারে ফুল বিক্রি করতে পারছেন তিনি। পবন জানান, আগে মাশরুম চাষ করতেন। গত প্রায় সাত বছর ধরে আফ্রিকান প্রজাতির গাঁদা ফুল চাষ করছেন। তাঁর কথায়, মরশুম অনুযায়ী ফুলের দাম ওঠানামা করে। সাধারণত প্রতি কেজি ফুল ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। চৈত্র, বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস থেকে পুজোর মরশুম পর্যন্ত ভাল দাম পাওয়া যায়। শীতকালে উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা কমে যায়। বিঘা প্রতি দেড় থেকে দুই কুইন্টাল পর্যন্ত ফুল উৎপাদন হয়। এদিকে, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দূষ্য়ান্ত কুমার রাঘব জানান, মালদার মাটিতে গাঁদা ফুল চাষ যথেষ্ট উপযোগী। কলকাতা লাড্ডু, বেঙ্গল অরেঞ্জ ও বেঙ্গল ইয়েলো প্রজাতির গাঁদা এখানে চাষ করা যায়। এই ফুল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব। গাঁদা ফুলের চাষ চাষিদের জন্য বিকল্প লাভজনক চাষ। কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে জমির একদিকে গাঁদা ফুল চাষ করলে কীটপতঙ্গের আক্রমণ কমাতে এবং অন্যান্য ফসল ও সবজির উৎপাদন বাড়াতেও সহায়তা করে। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে গাঁদা চাষের। ফলে বিকল্প আয়ের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে এই ফুল চাষ।
