মন্দিরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলনের এক বিশেষ অধ্যায়। কথিত রয়েছে, বিপ্লবী চারণকবি মুকুন্দ দাস নিজে এই মন্দিরে এসেছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। সেই সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ তৎকালীন মন্দির কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা দিয়ে মন্দির নির্মাণের কাজ করা হয়। পাশাপাশি কাশী থেকে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি নিয়ে আসার উদ্যোগও নিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় শিলিগুড়ি টাউন স্টেশনের আশপাশে আজকের মতো ঘন জনবসতি ছিল না। স্টেশনে নেমে বিপ্লবীরা এই মন্দিরে আশ্রয় নিতেন বলে জানা যায়। মাটির প্রতিমাকে কেন্দ্র করে সেই সময় এখানে লাঠিখেলা, ব্যায়ামসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের আয়োজনও হতো। ফলে আনন্দময়ী কালীবাড়ি শুধুমাত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবেই নয়, ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবেও পরিচিত।
Source link
একসময় যে মন্দির ছিল বিপ্লবীদের আনাগোনার অন্যতম আস্তানা, সেই মন্দিরেই ১০০তম দীপান্বিতা কালীপুজো
