Headlines

জল্পেশে মহাদেবের পুজোর আগে কেন আরাধনা করা হয় এই দেবীর? জানুন ভ্রামরী শক্তিপীঠের অজানা মাহাত্ম্য! |


Last Updated: Nov 04, 2026, 14:54 IST

উত্তরবঙ্গের জল্পেশ ধামের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন ভ্রামরী দেবী মন্দিরের ঐতিহ্য ও মাহাত্ম্য। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, জল্পেশে মহাদেবের মূল পুজো শুরুর আগে ভ্রামরী দেবীর চরণে পুজো নিবেদন করা হয়। কথিত আছে, দেবী সতীর বাম পায়ের বিশেষ অংশ এই স্থানেই পতিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে পবিত্র পিণ্ডে পরিণত হয়। দেবী এখানে অষ্টভুজা ও সিংহবাহিনী রূপে পূজিত হন। মন্দিরের গর্ভগৃহে রয়েছে কষ্টিপাথরে খোদাই করা প্রাচীন দেবীমূর্তি। এই শক্তিপীঠের ভৈরব নন্দী মহাকাল, যিনি ‘অম্বরনাথ ভৈরব’ নামেও পরিচিত। অন্যান্য অনেক শক্তিপীঠের মতো এখানে বলিপ্রথা নেই; সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক ও বৈদিক রীতিতে দেবীর নিত্যপুজো হয়। সারা বছর শান্ত পরিবেশ থাকলেও কালীপুজোর সময়ে বিশেষ আরাধনা ও আলোর সাজে মুখর হয়ে ওঠে মন্দির চত্বর। প্রাচীন ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং জল্পেশ শিবের সঙ্গে যোগসূত্রের কারণে ভ্রামরী দেবী মন্দির উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। জল্পেশ ধাম দর্শনে আসা বহু পুণ্যার্থী তাই মহাদেবের পাশাপাশি এই শক্তিপীঠেও পুজো দিতে যান।উত্তরবঙ্গের জল্পেশ ধামের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন ভ্রামরী দেবী মন্দিরের ঐতিহ্য ও মাহাত্ম্য। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, জল্পেশে মহাদেবের মূল পুজো শুরুর আগে ভ্রামরী দেবীর চরণে পুজো নিবেদন করা হয়। কথিত আছে, দেবী সতীর বাম পায়ের বিশেষ অংশ এই স্থানেই পতিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে পবিত্র পিণ্ডে পরিণত হয়। দেবী এখানে অষ্টভুজা ও সিংহবাহিনী রূপে পূজিত হন। মন্দিরের গর্ভগৃহে রয়েছে কষ্টিপাথরে খোদাই করা প্রাচীন দেবীমূর্তি। এই শক্তিপীঠের ভৈরব নন্দী মহাকাল, যিনি ‘অম্বরনাথ ভৈরব’ নামেও পরিচিত। অন্যান্য অনেক শক্তিপীঠের মতো এখানে বলিপ্রথা নেই; সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক ও বৈদিক রীতিতে দেবীর নিত্যপুজো হয়। সারা বছর শান্ত পরিবেশ থাকলেও কালীপুজোর সময়ে বিশেষ আরাধনা ও আলোর সাজে মুখর হয়ে ওঠে মন্দির চত্বর। প্রাচীন ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং জল্পেশ শিবের সঙ্গে যোগসূত্রের কারণে ভ্রামরী দেবী মন্দির উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। জল্পেশ ধাম দর্শনে আসা বহু পুণ্যার্থী তাই মহাদেবের পাশাপাশি এই শক্তিপীঠেও পুজো দিতে যান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *