Headlines

Housewife returns to maternal home during Kali Puja and makes mundomala of idol ৬৯ বছর বয়সী প্রবীণ কারিগর কাশীনাথ কংসবণিক। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবার নিষ্ঠার সঙ্গে বাঁচিয়ে রেখেছেন পৈতৃক এই কাজ। দুর্গোৎসবের পর থেকে কালীপুজো পর্যন্ত কাজের চাপ তুঙ্গে ওঠে। শান্তিপুরের বিখ্যাত আগমেশ্বরী, বোম্বাটে কালী, খুরখুরি কালী, মহিষখাগী কিংবা মাধব কালীর মতো বহু প্রাচীন বিগ্রহের খাঁড়া, চাঁদমালা, মুণ্ডমালা, ত্রিশূল, ডুগডুগি ও শিং পালিশ এবং সাজসজ্জার জন্য নিয়ে আসা হয় তাঁদের কাছে। ইতিমধ্যে প্রায় শতাধিক সামগ্রীর কাজ জমা পড়েছে এবং পুজোর আগে পর্যন্ত এই ব্যস্ততা জারি থাকে। কাজে বাবাকে পূর্ণ সহায়তা করেন তাঁর বিবাহিত কন্যা বর্ণালী প্রামাণিক কংসবণিক। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে কাজ দেখতে দেখতে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তিনি এই দক্ষতা অর্জন করেছেন। তবে প্রতিমার অলঙ্করণের মূল দায়িত্ব সামলান বর্ণালীদেবীই। বাবা কাশীনাথবাবু অ্যাসিড দিয়ে পরিষ্কার ও বব হুইলের মাধ্যমে ধাতব সামগ্রী পালিশ করার পর বর্ণালীদেবী শুদ্ধাচারে পরিষ্কার ও বব হুইলের মাধ্যমে ধাতব সামগ্রী পালিশ করার পর বর্ণালীদেবী শুদ্ধাচারে চক্ষুদান করেন৷ |

Chorbagan Stampede ‘জীবনের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ নয়’, চোরবাগানের ঘটনার পর বর্ধমানের পুজো মণ্ডপে কড়া নজরদারি প্রশাসনের | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

Chorbagan Stampede: চোরবাগান-কাণ্ডের পর নড়েচড়ে বসল পূর্ব বর্ধমান প্রশাসন, নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে মণ্ডপে মণ্ডপে অভিযান।

চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা থেকে শিক্ষা
চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা থেকে শিক্ষা

বর্ধমান: চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলার বিভিন্ন পুজো মণ্ডপের প্রবেশ ও বেরনোর পথ-সহ সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে অভিযানে নেমেছেন পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। কোথাও বিজ্ঞাপনের গেট খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও প্রবেশপথ আরও চওড়া করতে বলা হয়েছে পুজো কমিটিগুলিকে।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র বলেন, “চোরবাগান আমাদের চোখ খুলে দিল। জীবনের সঙ্গে আর কোনও কম্প্রোমাইজ নয়।” এদিন তিনি বর্ধমানের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশও দেন তিনি।

আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে বাড়ি ফেরা আর হবে না, শ্রীপর্ণা ঠাকুর দেখতে গিয়ে মরেই গেল! শোক গোটা বৈদ্যবাটিতে

মন্ত্রী জানান, কয়েকটি জায়গা বেআইনিভাবে দখল করে পুজোর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছেন। সেই জায়গাগুলি দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এরপরই সক্রিয় হতে দেখা যায় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল এবং জেলা পুলিশ সুপার পুষ্পাকে। জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা একাধিক পুজো মণ্ডপে গিয়ে প্রবেশ ও বেরনোর পথ পরীক্ষা করেন। দর্শনার্থীদের চলাচলে যাতে কোনও বাধা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে সংকীর্ণ জায়গা থেকে বিজ্ঞাপনের কাঠামো সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, কোথাও প্রবেশপথ প্রশস্ত করার কথাও বলা হয়েছে পুজো কমিটিগুলিকে।

শরদিন্দু ঘোষ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *