স্থানীয়ভাবে পাগলী মায়ের মন্দিরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও জনশ্রুতি রয়েছে। কথিত আছে, বহু বছর আগে পাগলী মা নামে এক মহিলা এখানে পুজো করতেন। সেই পুজোকে কেন্দ্র করেই এই স্থানের পরিচিতি গড়ে ওঠে। বর্তমানে এখানে একটি প্রাচীন পুজোর থান রয়েছে, যা ভক্তদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
পুজো কমিটির সম্পাদকের বক্তব্য অনুযায়ী, এই স্থানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর দাবি, পাগলী মায়ের পুজোর আদি স্থান হিসেবে এই থানকেই মানা হয়। তবে, এই পুজোর কোনও নির্দিষ্ট মূল মন্দির বা ‘অরিজিনাল’ স্থান রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন না।
মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষের উপস্থিতিতে পুজোর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে মন্দির চত্বরে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। ধর্মীয় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে এদিনের অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয় এলাকাতেও আগ্রহ তৈরি হয়।
মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় অবস্থিত পাগলী মায়ের মন্দিরে পুজোর উদ্বোধন।
পুজোর উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ।
এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মন্দিরে পৌঁছন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সৌমেন মণ্ডল।
বিজেপির অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পাগলী মায়ের মন্দিরকে ঘিরে এলাকায় দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য রয়েছে।
জনশ্রুতি অনুযায়ী, বহু বছর আগে পাগলী মা নামে এক মহিলা এখানে পুজো করতেন।
সেই পুজোকে কেন্দ্র করেই ধীরে ধীরে এই স্থানের পরিচিতি গড়ে ওঠে।
বর্তমানে মন্দির চত্বরে একটি প্রাচীন পুজোর থান রয়েছে, যা ভক্তদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
পুজো কমিটির সম্পাদকের দাবি, এই থানকেই পাগলী মায়ের পুজোর আদি স্থান হিসেবে মানা হয়
