Headlines

Money Making Tips: ফেলে দেওয়া পুজোর ফুলেই লক্ষ্মীলাভ, নামমাত্র পুঁজিতে শুরু করুন অর্গানিক ব্যবসা! গৃহবধূর সুপারহিট ফর্মুলা জানুন | Haldia homemaker Pinki Manna Das turns discarded worship flowers into chemical-free organic soap | লেটেস্ট ব্যবসা-বাণিজ্যের খবর


Last Updated:

Money Making Tips: পুজোর ফেলে দেওয়া ফুল থেকে কেমিক্যালমুক্ত ভেষজ সাবান তৈরি করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন হলদিয়ার গৃহবধূ পিংকি মান্না দাস। তাঁর তৈরি হারবাল প্রোডাক্টের চাহিদা রয়েছে এখন বিদেশেও! ফেলে দেওয়া জিনিস থেকে উপার্জনের দিশা দেখিয়েছেন তিনি।

+

ফেলে

ফেলে দেওয়া ফুল থেকে তৈরি হার্বাল সাবান

হলদিয়া, সৈকত শী: বর্জ্য ফুল থেকে ভেষজ সাবান! হলদিয়ার গৃহবধূর অনন্য উদ্যোগে তাক লাগাল সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিদেশ। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ আর নিত্যপুজো মানেই চারপাশ রঙবেরঙের ফুলে মুখরিত। কিন্তু পুজো শেষে সেই পবিত্র ফুলগুলিই যখন যত্রতত্র বা জলাশয়ে ফেলা হয়, তখন তা থেকে তৈরি হয় মিথেন গ্যাস, যা মারাত্মকভাবে জল ও স্থলদূষণ ঘটায়। এই প্রচলিত দৃশ্য বদলেই হলদিয়ার ক্ষুদিরাম নগর নিবাসী পিংকি মান্না দাস এমন এক যুগান্তকারী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছেন, যা ইন্টারনেটে এখন রীতিমতো চর্চার বিষয়। গৃহস্থালির সমস্ত সামলানোর পাশাপাশি নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি ফেলে দেওয়া পুজোর ফুলকে রূপ দিচ্ছেন সম্পূর্ণ অর্গানিক ভেষজ সাবানে।

এই ভেষজ সাবান তৈরির পদ্ধতিটি অত্যন্ত সহজ অথচ আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে পরিচালিত। প্রথম ধাপে বিভিন্ন মন্দির এবং পুজোমণ্ডপ থেকে বর্জ্য ফুল সংগ্রহ করে সেগুলি ডেটল জলে নিখুঁতভাবে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এরপর মিক্সার গ্রাইন্ডারে পিষে সেই ফুলের নির্যাস বের করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মুলতানি মাটি এবং প্রাকৃতিক সোপ বেস বা সোপ বার নির্দিষ্ট অনুপাতে মেশানো হয়। পিংকি দেবীর এই অভিনব ভাবনা একদিকে যেমন ইকো-ফ্রেন্ডলি বা পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রার বার্তা দিচ্ছে, তেমনই ডিজিটাল যুগে আধুনিক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মন জয় করছে। বাজারচলতি কসমেটিক্সে এসএলএস (SLS) এবং প্যারাবেনের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট করে চামড়া কুচকে দেয়।

আরও পড়ুন: মাত্র ৩০ টাকায় পৌঁছে যাবেন সৈকতশহরে, দিঘাগামী যাত্রীদের পোয়া বারো! রেলের সারপ্রাইজ

তিনি বলেন, পুজোর পর এই ফুল গুলো পুকুরে কিংবা নদীতে ফেল দেওয়া হয় আর যেটা পচে মিথেন গ্যাস তৈরি হয় যা পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী ও জলকে দূষিতে করে যা থেকে মশা, মাছি, পোকা জন্ম নেয়। এই ফুল, দূর্বা, তুলসী, বেলপাতা না ফেলে আমরা প্রাকিতিক ভাবে সাবান বানানোর কাজে ব্যবহার করতে পরি। আমরা যে বাজারের সাবন ব্যবহার করি তাতে এস এল এস, পারাবিন মত অনেক রকমে রসায়ন থেকে আর নিম্ন মানের তেল ব্যবহারে করে যা ত্বকে শুষ্ক করে, চামড়া কুচকে যায়, ত্বকের অনেক সমস্যায় করে ফেলে দেয়া ফুলকে দিয়ে বানাই যা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের পুষ্টির জন্য দারুন কার্যকর।”

আরও পড়ুন: এই ‘খারাপ’ মাছে ছয়লাপ বাজার, ভুল করে খেলেই ছুটতে হবে হাসপাতাল! যাচাইয়ের পরামর্শ খোদ মন্ত্রীর

ডিজিটাল মাধ্যমের বদৌলতে পিংকি দেবীর এই উদ্যোগ আজ স্থানীয় গণ্ডী পেরিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও পরিচিতি অর্জন করেছে। ফেসবুকে ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার পেয়ে তিনি এই ভেষজ সাবান দেশের গণ্ডী পেরিয়ে বিদেশে কর্মরত পরিচিত প্রবাসীদের ঠিকানাতেও কুরিয়ার করে পাঠাচ্ছেন। বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরির এই সফল মডেল প্রমাণ করে যে, সঠিক সদিচ্ছা এবং ডিজিটাল প্রচারের হাত ধরে ঘরে বসেই নারীরা সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন। পরিচিতি জনেরা বিদেশে কর্মরত রয়েছে তারাও পিংকির হারবাল সাবানের অর্ডার করেন। সেইমত সাবান বানিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেন পিংকি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *