Last Updated:
Eco-Friendly Trawler: ডিজেলের খরচ ও জলদূষণ কমাতে কাকদ্বীপে ট্রলারে গ্যাস ব্যবহারের বিশেষ পরীক্ষামূলক উদ্যোগ! কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ‘গ্রিনিং অব মেরিন’ প্রজেক্ট। প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের জ্বালানি খরচ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: এবার তেলের বদলে গ্যাসে ট্রলার চালানোর পরিকল্পনা, পরিবেশ দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই কাজ করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ছ’টি ট্রলারে গ্যাস ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে। একটি গ্যাস সিলিন্ডারে কতটা পথ অতিক্রম করা সম্ভব, কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে এই ব্যবস্থায় কতটা লাভ হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।
পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট জমা পড়বে। প্রকল্পটি লাভজনক প্রমাণিত হলে পর্যায়ক্রমে জেলার সমস্ত মাছ ধরার ট্রলারকে গ্যাসচালিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।জলপথে পরিবেশদূষণ কমাতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতদিন ডিজেল পুড়িয়েই সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতেন মৎস্যজীবীরা। এর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশদূষণ বাড়ত, অন্যদিকে জ্বালানির পিছনে বিপুল খরচও হত। এবার সেই ছবিটা বদলাতে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। ট্রলারে গ্যাস ভরানোর দায়িত্বও তাদেরই। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গ্রিনিং অব মেরিন’। কেন্দ্রের উদ্যোগে এবং রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হচ্ছে। এই প্রকল্প নিয়ে কাকদ্বীপে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা।
বৈঠকে মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, ট্রলারের ইঞ্জিনে খুব বেশি পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে না। তবে গ্যাস ব্যবহারের উপযোগী করতে কিছু যন্ত্রাংশ বদলাতে হবে। কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতি জানিয়েছেন, এটি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ। এর ফলে মৎস্যজীবীদের জ্বালানির খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন দেখার এই প্রকল্প কতটা সাফল্য পায় ভবিষ্যতে।

