Headlines

Inspirational Story: বড় মন থাকতে কোটি টাকা লাগে না! মানবিক কাজে তাক লাগাচ্ছেন গুসকরার এই চা বিক্রেতা, চিনুন তাঁকে | Human Touch Story Small Shop, Big Heart Guskara Tea Vendor Distributes Footballs and Biryani to Youth Ahead of Durga Puja | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

Inspirational Story: চা বিক্রির সামান্য আয় থেকেই সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার পাঞ্জাব শেখ! মোবাইলের জগৎ থেকে তরুণ প্রজন্মকে মাঠে ফেরাতে ২০টি দলের হাতে ফুটবল তুলে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে দুস্থদের অন্নদান করছেন এই চা বিক্রেতা।

+

পূর্ব

পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার চা বিক্রেতা পাঞ্জাব শেখ, যিনি নিজের উপার্জনের টাকা দিয়ে যুবকদের হাতে ফুটবল ও গরিব মানুষকে সাহায্য করছেন

গুসকরা, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: একদিকে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে ছোট্ট চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে সংসার চালানো, অন্যদিকে সেই উপার্জনের মধ্য থেকেই অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া! কখনও শাড়ি উপহার দিয়ে পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেওয়া, কখনও আবার যুবকদের হাতে ফুটবল তুলে দিয়ে মাঠমুখী করার উদ্যোগ। পেশায় চা বিক্রেতা হলেও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধে নিজের মতো করে নজির গড়তে চাইছেন গুসকরার পাঞ্জাব শেখ।

বর্তমান প্রজন্মের মোবাইল আসক্তি নিয়ে যখন নানা মহলে উদ্বেগ, তখন তাঁর লক্ষ্য একটাই, মোবাইলের পর্দা থেকে বেরিয়ে আবার মাঠে ফিরুক ছেলেরা, ফিরে আসুক খেলাধুলার পুরনো পরিবেশ। পাঞ্জাব শেখ বলেন, “আমি মনে করি সমাজের প্রতি আমারও একটা দায়িত্ববোধ রয়েছে। সেই ভাবনা থেকেই এবার ফুটবল দেওয়ার চিন্তাভাবনা।” দুর্গাপুজোর আগে পাঞ্জাব শেখের এই উদ্যোগে সামিল হয়েছে গুসকরা পৌরসভা এলাকা এবং আশপাশের গ্রামের ২০টি পিছিয়ে পড়া দল। সম্প্রতি সেই দলগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ২০টি ফুটবল, পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে বিরিয়ানির প্যাকেটও।

আরও পড়ুন: পুজোর আনন্দে কি জল ঢালবে বৃষ্টি? কেমন থাকবে দিঘা-সহ দক্ষিণের আবহাওয়া? স্পেশাল বুলেটিন হাওয়া অফিসের

গত বছর পুজোর আগে তাঁর চায়ের দোকানে চা খেলে শাড়ি উপহার দেওয়ার অভিনব উদ্যোগও নজর কেড়েছিল। স্ত্রী ও স্নাতক পাশ করা মেয়েকে নিয়ে সংসার সামলানোর পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে চলেছেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, মানুষের জন্য কিছু করতে হলে বড় আয়োজন কিংবা বিপুল অর্থের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছা আর এগিয়ে আসার মানসিকতা। চায়ের দোকানের আয় থেকেই তাঁর এই উদ্যোগ যেন সেই বার্তাই দেয়, ছোট্ট প্রচেষ্টাও সমাজে বড় পরিবর্তনের বীজ বুনতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *